ঠিক কী ঘটেছ?
এই বিষয়ে দেবাশিস জানাচ্ছেন, তিনি আগামী ১০ তারিখে তাঁদের মামলার শুনানি রয়েছে। সেই কারণে রাত্রি ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ফোনে কনফারেন্সে ছিলেন তিনি। সেই সময়ই আচমকা তাঁর উরে হামলা চালান হয়। তিনি যা হোক করে নিজেকে সেখান থেকে রক্ষা করেন। দেখেন রক্তে গলা ভেসে যাচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর বাড়ির লোকেরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং দেখেন গলার অংশটা কাটা রয়েছে। ইতিমধ্যেই সেখান থেকে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতী। পরে পুলিশ একজনকে পাকড়াও করে।
আতঙ্কে আক্রান্তের পরিবার
গোটা ঘটনায় হতচকিত দেবাশিস ও তাঁর পরিবার। দেবাশিসের প্রশ্ন তাঁরা মামলা করেছেন বলেই কি তাঁদের উপরে হামল? যদিও ঠিক কী কারণে এই হামলা সেই বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে আটক ব্যক্তিকেও জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছেন তদন্তকারী আধিকারিকেরা।
প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তোলপাড় গোটা রাজ্যে। সম্প্রতি এসএসসি মামলার রায় ঘোষণা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। সেখানে ২০১৬ সালের গোটাল প্যানেলটাই বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। আদালতের রায়ের প্রেক্ষিতে চাকরি হারিয়েছেন ২৫ হাজার ৭৫৩ জন। সেই রায়ের প্রেক্ষিতে পালটা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার, এসএসসি ও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। ইতিমধ্যেই মামলার শুনানিও হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। যদিও হাইকোর্টের চাকরি বাতিলের রায়ের উপরে এখনও কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি শীর্ষ আদালত।
