তিনি আরও বলেন, ‘এই টাকা আসে সরকারি কোষাগার থেকে। আপনাদের যে ১০০০ বা ১২০০ টাকা দেওয়া হয়। সেই টাকা জেনে রাখবেন অত্যন্ত কম। গোটা ভারতবর্ষে যেখানে এই প্রকল্প চালু আছে, সরাসরি মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়ার, সেখানে আসামে পায় ৩ হাজার টাকা, উত্তর প্রদেশে এবং রাজস্থানে পায় সাড়ে তিন হাজার টাকা।’
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে বিজেপি সরকার এলে ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন। সেই কথা অনুসরণ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানান, বিজেপি সরকার এলে রাজ্যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার দেওয়া হবে। সেখানে রাজ্যের মহিলাদের ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এদিন হুঁশিয়ারি দেন, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে রাজ্য সরকার বদল হতে পারে। যদি সেটা নাও হয়, আগামী ২৬ সালের নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি সরকারে আসছে বলে দাবি করেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।
যদিও, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই বক্তব্য নিয়ে চূড়ান্ত সমালোচনা করেছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ‘উনি ইদানিং বেশ কিছু আপত্তিকর কথাবার্তা বলেছেন। এই যে উনি বলছেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কারও বাপের টাকা নয়। সেরকম এই যে ওঁরা বলে কেন্দ্রীয় সরকারে টাকা, সেইগুলিও বিজেপির কারও বাপের টাকা নয়।’ কুণালের আক্রমণ, রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের করের টাকা তুলে নিয়ে যায়। এখনও রাজ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি পাওনা রয়েছে বিভিন্ন খাতে। রাজ্যের থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া টাকা কেন ফেরত দেওয়া হচ্ছে না, সেই বিষয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন কুণাল।
