ঠিক কী বলছেন সন্দেশখালির মহিলারা?
প্রসঙ্গত, মিতা মাইতি নামে এক মহিলা ইতিমধ্যেই দাবি করেছেন, ধর্ষণের অভিযোগ সম্পূর্ণই ‘মিথ্যা’। ওই মহিলা বলেন, ‘রেখা শর্মা যেদিন এসেছিলেন, সেদিন কার কার অভিযোগ রয়েছে জানতে চাওয়া হয়। একটা সাদা কাগজ দিয়ে বলল সই করতে হবে। সই করে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলাম। ৪ থেকে ৫ দিন পর থানা থেকে একটি নোটিশ যায়। তখন জানতে পারলাম যে আমরা ধর্ষণের অভিযোগ করেছি। কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যে, ওইরকম কিছু ঘটেইনি।’ তিনি সরাসরি পিয়ালী দাস ওরফে মাম্পির নামে অভিযোগ তোলেন।
মিতা মাইতি দাবি করেন, পিয়ালী এক সময় আন্দেলন করতেন, বর্তমানে বিজেপি করেন। মিথ্যা বলে তাঁদের ফাঁসানোর জন্য পিয়ালীর শাস্তি দাবি করেন মিতা। এমনকী এখন তাঁরা অভিযোগ প্রত্যাহার করতে চাইলে পালটা হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন মিতা মাইতি।
কয়েকদিন আগেই প্রকাশিত প্রথম ভিডিয়ো
প্রসঙ্গতি, সম্প্রতি সন্দেশখালির একটি স্টিং অপারেশনের ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে, যা নিয়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্য রাজনীতিজুড়ে। ৩২ মিনিট ৪২ সেকেন্ডের সেই ভিডিয়োর কোনওরকম সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল। সেই ভিডিয়োয় এলাকার বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়ালকে বলতে শোনা গিয়েছে যে, সন্দেশখালিতে টাকার বিনিময়ে তৃণমূল নেতাদের নামে ধর্ষণের ‘মিথ্যে’ অভিযোগ দায়ের করানো হয়েছে। যদিও বিজেপি অবশ্য সেই দাবি অস্বীকার করেছে।
