ধরা যাক, ব্যাঙ্কিং পরিষেবা অথবা গ্যাস বুকিং-এর নামে আপনার কাছে ফোন এলো। বলা হলো, কেওয়াইসি যাচাই করা হচ্ছে। আপনি যখন ওই ব্যক্তির সঙ্গে ফোনে ব্যস্ত। ঠিক তখন আপনার নম্বর ব্যবহার করে অপরাধীদের হাতে থাকা অন্য মোবাইলে হোয়াটসঅ্যাপ ডাউনলোড করার চেষ্টা চলছে। যেহেতু নতুন করে অ্যাপটি ডাউনলোড করা হচ্ছে, তাই রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার মোবাইলে একটি ওটিপি যাবে। সেখানেই রয়েছে কারসাজি।
ছদ্মবেশী অপরাধীর সঙ্গে কথা বলার সময়ে আপনি হয়ত লক্ষ করলেন না অথচ সেই ব্যক্তি জানালেন, একটি ওটিপি আপনার ফোনে পাঠানো হয়েছে। তা বলতে হবে। না হলে, এখনই ব্যাঙ্ক বা গ্যাস পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাবে। আপনি তা শেয়ারও করে দিলেন। সেই ওটিপি যখন অপরাধীদের কাছে চলে গেল, তখনই অপরাধীরা আর একটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালু করে দিল তাদের মোবাইলে।
একবার তা হয়ে গেলে, ‘টু স্টেপ ভেরিফিকেশন’-এ ৬ ডিজিটের পাসওয়ার্ড সেট করে আপনার হোয়াটসঅ্যাপের ব্যবহারই বন্ধ করে
দিতে পারে তারা। এ বিষয়ে সাইবার বিশেষজ্ঞ সন্দীপ সেনগুপ্তের বক্তব্য, ‘একই কৌশল কাজে লাগিয়ে আপনিও সাইবার অপরাধীদের হাত থেকে বাঁচতে পারেন। হোয়াটসঅ্যাপেও সুরক্ষাকবচ রয়েছে। সে জন্য টু-স্টেপ ভেরিফিকেশনে গিয়ে পাসওয়ার্ড সেট করে দিতে হবে। তা হলে আর ভয় নেই।’
সাইবার বিশেষজ্ঞ হৃত্বিক লালের সংযোজন, ‘আপনার তথ্য যদি ক্লাউডে সেভ করা থাকে আর রেজিস্ট্রেশনের ওটিপি জেনে যায় অপরাধীরা, তা হলে হোয়াটসঅ্যাপ ডাউন লোডের পরে সব তথ্যই তাদের হাতে চলে যাবে।’ ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ।
