পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িটির গতি কত ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি গাড়ির চালক সুস্থ অবস্থায় ছিলেন কিনা, কাউকে ওভারটেক করতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে কিনা., সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এদিন উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয়রা। তাঁরাই আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত মৃতদের নাম জানা যায়নি। তবে তিন থেকে চার জন গুরুতর আহত বলে জানা যাচ্ছে। তাঁদের অন্যত্র স্থানান্তরিত করার বিষয়ে ভাবনা চিন্তা করা হচ্ছে।
এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, ‘কী ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল তা আমার জানা নেই। এসে দেখি অনেকেই যন্ত্রণায় ছটফট করছেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই আমরা স্থানীয়রাই। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছেছে। তদন্তে জানা যাবে কী ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, দুই জনের মৃত্যু হয়েছে এই দুর্ঘটনায়।’
এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে কানকি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাইসার আহমেদ বলেন, ‘একটি ভলবো বাস কলকাতা থেকে কোচবিহারের দিকে যাচ্ছিল। তা উলটে যায়। হয়তো চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন বা ওভারটেক করতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। আফশোস হয়, জাতীয় সড়কে টোলট্যাক্স নেওয়া হয়। কিন্তু, রাস্তার অবস্থা খারাপ। কানকিকে এনএই-এর অফিস রয়েছে। কিন্তু, তা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত পরিকাঠামো নেই। এখনও পর্যন্ত কতজনের মৃত্যু হয়েছে তা স্পষ্ট করে বলা সম্ভব নয়।’ তিনি সড়কের পরিস্থিতি নিয়ে তোপ দাগেন।