প্রসঙ্গত, এই প্রিসাইডিং অফিসারকেই মারধর করার অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনা শুনে হাওড়া লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী ওই বুথে যান। বিজেপির অভিযোগ, ওই প্রিসাইডিং অফিসারকে একটি নির্দিষ্ট দলের হয়ে কাজ করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তাঁকে মারধর করা হয়। তারপরেই এই ভোটকেন্দ্রে কিছুক্ষণের জন্য ভোট গ্রহণ বন্ধ ছিল। এখন এই কেন্দ্রে সঠিক ভাবেই নির্বাচন চলছে।
তবে এই প্রিসাইডিং অফিসারের বিরুদ্ধে সঠিক কী অভিযোগ তা খতিয়ে দেখছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দফতর। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন বিজেপি প্রার্থী রথীন চক্রবর্তী। পরে আবার ভোট প্রক্রিয়া শুরু হয়।
বিজেপি প্রার্থীর অভিযোগ, শাসকদলের নেতা কৈলাস মিশ্রের নেতৃত্বে এই ঘটনা ঘটেছে। যদিও এই ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, ‘প্রিসাইডিং অফিসারকে মারধর করাটা ঠিক হয়নি। তিনি অভিযোগ করলে পুলিশ সঠিক ব্যবস্থা নেবে।’ তবে এই কাজ তৃণমূলের নয় বলেও জানান তিনি। তবে গোটা ঘটনায় ওই বুথে বেশ কিছুক্ষণ ভোটদান প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়। কমিশনের তরফে ওই প্রিসাইডিং অফিসারকে অন্য প্রিসাইডিং অফিসারকে নিয়োগ করা হয়েছে। নতুন প্রিসাইডিং অফিসার আসার পর স্বাভাবিক গতিতে ভোটদান প্রক্রিয়া শুরু হয়। পঞ্চম দফা নির্বাচন এ রাজ্যে ৭ টি লোকসভা কেন্দ্রে ভোট রয়েছে। বনগাঁ, ব্যারাকপুর, হাওড়া, হুগলি, শ্রীরামপুর, আরামবাগ। এর মধ্যে হাওড়া জেলায় উলুবেড়িয়া লোকসভা কেন্দ্রে বেশ কিছু অভিযোগ জমা পড়েছে। বেলা ১১টা পর্যন্ত হাওড়া লোকসভা কেন্দ্র ভোটের হার ৩০.৮৯%। বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিতে চলেছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।
