এদিন, নন্দীগ্রামের সামসাদ বুড়ির মোড়ের কাছে শুভেন্দুর কনভয় আসে তখন তৃণমূলের পতাকা হাতে নিয়ে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকে বেশ কিছু তৃণমূল কর্মীরা। তবে শুভেন্দু তাঁর সভার উদ্দ্যেশ্যে রওনা দেয়। কিছুদিন আগে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী দেবাংশু ভট্টাচার্য প্রচার করতে গেলেও তাঁকে লক্ষ্য করে ‘চোর চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়। তারই পালটা তৃণমূলের তরফেও স্লোগান দেওয়া হল বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, দু’দিন আগে বাঁকুড়া জেলাতেও একটি সভা করতে গিয়ে ‘চোর চোর’ স্লোগান শুনতে হয় শুভেন্দু অধিকারীকে। বাঁকুড়ার পাত্রসায়েরে বিষ্ণপুরের প্রার্থী সৌমিত্র খাঁয়ের সভায় গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকে সারেঙ্গার সিমলাপালে ফিরছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বাঁকুড়ার বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারের জন্য একটি রোড শোতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর।
সারেঙ্গার কাছে শুভেন্দুর গাড়ি লক্ষ্য করে ‘চোর, চোর’ স্লোগান দেওয়া হতে থাকে বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই স্লোগান শুনে রেগে গিয়ে গাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন শুভেন্দু। এরপর তিনি স্লোগান দেওয়া তৃণমূল কর্মীদের দিকে তেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, পরে তাঁকে নিরাপত্তা রক্ষীরা আটকে দেন। উল্লেখ্য, পরের দফাতেই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি, তমলুক কেন্দ্রে লোকসভা নির্বাচন রয়েছে। নাম ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর থেকেই এই কেন্দ্রগুলিতে জোর প্রচার চালিয়ে আসছে তৃণমূল-বিজেপি উভয় পক্ষই। এই দুটি কেন্দ্রই গতবার লোকসভা নির্বাচনে জিতে নিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের। প্রার্থীরা। এবারও এই কেন্দ্র দুটি নিজেদের দখলে রাখতে মরিয়া রাজ্যের শাসক দল।
