ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রিমেল। তার জন্য ইতিমধ্যেই প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ করা হয়েছে। একইসঙ্গে এই সময় মৎস্যজীবীদেরও সমুদ্রযাত্রার উপরে আনা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। এদিকে এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। হুগলি চুঁচুড়া পৌরসভার পক্ষ থেকে গঙ্গা তীরবর্তী এলাকায় চলছে মাইকিং। বাঁধের পাড়ের বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য আবেদন করা হচ্ছে পুরসভার পক্ষ থেকে। সেই অনুযায়ী যে সমস্ত মাঝিরা নৌকা নিয়ে গঙ্গায় মাছ ধরতে যান তাঁদেরকেও নদীতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। আজ ২৫ মে থেকে ২৭শ মে অবধি জেলার সমস্ত ঘাটে বন্ধ থাকবে ফেরী চলাচল। সেই মত নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে নবান্ন থেকে।এদিন সকালে দেখা যায় চুঁচুড়া, শ্রীরামপুর, উত্তরপাড়া, গুপ্তিপাড়া সহ বিভিন্ন ফেরিঘাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে ফেরিঘাটের কাউন্টারে। তবে বহু যাত্রীর কাছে ঘাট বন্ধ থাকার খবর না থাকায় তাঁদের ফিরে যেতে হয়। এককথায় বলতে গেলে সমস্যায় পড়তে হয় তাঁদের। ঘুরপথে যেতে বাধ্য হন তাঁরা।
এই বিষয়ে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানান, ইয়াস ও আমফানের সময় প্রশাসন মানুষের পাশে থেকেছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে যা খবর, রিমেল পশ্চিমবঙ্গের সাগর উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে আছড়ে পড়বে। ইতিমধ্যে এই নিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে এবং গঙ্গা ও বিভিন্ন নদীপথে লঞ্চ ভেসেল পারাপার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।
এই বিষয়ে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী জানান, ইয়াস ও আমফানের সময় প্রশাসন মানুষের পাশে থেকেছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রে যা খবর, রিমেল পশ্চিমবঙ্গের সাগর উপকূলবর্তী এলাকাগুলোতে আছড়ে পড়বে। ইতিমধ্যে এই নিয়ে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে এবং গঙ্গা ও বিভিন্ন নদীপথে লঞ্চ ভেসেল পারাপার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নবান্নে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে।
একই চিত্র হাওড়াতেও। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুসারে রবিবার হাওড়ায় প্রবল বৃষ্টি ও সঙ্গে ৯০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিন ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে নদী উত্তাল হওয়ার আশঙ্কায় হুগলি নদী জলপথ পরিবহণ সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে রবিবার ও সোমবার সম্পূর্ণরূপে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব কেটে গেলে এবং আবহাওয়া ফেরি চলাচলের অনুকূল থাকলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু করা হবে বলে সমবায় সমিতি সূত্রে খবর। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় ইতিমধ্যে বিভিন্ন ফেরি ঘাটে থাকা ভেসেল ও লঞ্চগুলিকে মোটা দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ফেরি ঘাটের দায়িত্বে থাকা সংস্থার সকল ইউনিট এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের ইনচার্জদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
