Lok Sabha Election 2024 : ভোটপ্রচার শেষে ফোনাফুনিতেই দিন কাটালেন প্রার্থীরা – bankura purulia candidates spend relax mood talking with phone after lok sabha election 2024 campaign


এই সময়, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া: টানা দু’মাসেরও উপর চলেছে প্রচার। তীব্র রোদ, গনগনে সূর্যের তেজ আবার কখনও বৃষ্টির মধ্যেই ভোটপ্রচার চালিয়েছেন প্রার্থীরা। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রচার শেষের পরে শুক্রবার, ভোটের আগের দিনে সেই অর্থে দৌড়ঝাঁপ কিংবা তাড়াহুড়ো কোনওটাই ছিল না। দীর্ঘদিন পরে এদিন একটু ভিন্ন মুডেই ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। মূলত দলীয় নেতৃত্ব ও কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেই দিন কেটেছে তাঁদের।এদিন লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নেতা, কর্মীদের সঙ্গে বাড়িতে বৈঠক করেন বাঁকুড়ার তৃণমূল প্রার্থী অরূপ চক্রবর্তী। পাশাপাশি ফোনেও তিনি যোগাযোগ সারেন বিভিন্ন ব্লক, অঞ্চল, বুথের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে। এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুভাষ সরকারও এদিন সকাল থেকে ফোনে যোগাযোগ রেখেছিলেন তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন মণ্ডল, বুথ ও শক্তিকেন্দ্রের নেতৃত্বের সঙ্গে। কখনও বাড়ি থেকে আবার কখনও নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন ফোনে।

বাঁকুড়া কেন্দ্রের সিপিএম প্রার্থী নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত অনেকদিন পর এদিন সকালে নিজে হাতে সব্জি বাজার করেন বাড়ির জন্য। পরে জেলা পার্টি অফিসে গিয়ে কাটান খানিকটা সময়। সেখানে কথা হয় জেলার নেতা, কর্মীদের সঙ্গে। পেশায় তিনি আইনজীবী। তাই এদিন কিছু সময়ের জন্য কোর্টেও যান নীলাঞ্জন।

অন্য দিকে, বিষ্ণুপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সুজাতা মণ্ডল এদিন সকাল থেকে ছিলেন বিষ্ণুপুরের ভাড়াবাড়িতেই। বাড়ি থেকেই ফোনে যোগাযোগ সারেন বিভিন্ন এলাকার দলীয় নেতৃত্ব, কর্মীদের সঙ্গে। এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ এদিন সকালে বিষ্ণুপুরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি চায়ের দোকানে গিয়ে আড্ডা মারেন বেশ কিছুক্ষণ।

তিনিও এদিন বিভিন্ন এলাকার দলের নেতা, কর্মীদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। বিষ্ণুপুরের সিপিএম প্রার্থী শীতল কৈবর্ত্য এদিন একটু রিল্যাক্স মুডেই ছিলেন জয়পুরের গ্রামের বাড়িতে। সারা দিন কাটান পরিবারের সঙ্গে। তবে দিনভর বিভিন্ন বুথের কর্মীদের সঙ্গে তিনি যোগাযোগ রেখেছিলেন ফোনে।

অন্য দিকে, পাশের জেলা পুরুলিয়াতেও ফোনে ফোনেই দিন কাটিয়েছেন প্রার্থীরা। দীর্ঘ প্রচারে কিছুটা ক্লান্তি গ্রাস করলেও শেষ মুহূর্তটাই সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে জানান তাঁরা। বিজেপি প্রার্থী জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো বলেন, ‘ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্রামের কোনও প্রশ্ন নেই। বুথে বুথে এজেন্টরা পৌঁছবেন কখন তা নিশ্চিত করতে হবে।’ একের পর এক বেজে চলেছে তাঁর মোবাইল।

তার মধ্যেই নির্দেশ দিয়েছেন মণ্ডল সভাপতিদের। শুনতে হয়েছে সমস্যার কথাও। তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো অনেকটাই খোলা মেজাজে ছিলেন। বুথে এজেন্ট বসানো থেকে শেষ সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে তিনি চিন্তিত নন বলে জানিয়েছেন। বলেন, ‘এই সব দেখার জন্য আমাদের সংগঠনই যথেষ্ট। কাল বেরোব। ভোট দেব নিজের গ্রামে।’

প্রাক্তন কর্তা-গিন্নি আজ যুযুধান দু’পক্ষ, মন্দিরনগরীর আশীর্বাদ কার ঝুলিতে?

আবার নেপাল মাহাতোও ঝালদায় বসে নির্দেশ দিয়েছেন দলের কর্মীদের। খোঁজ নিয়েছেন কোথাও খামতি রয়ে গিয়েছে কিনা। বাম সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী নেপাল মাহাতো বলেন, ‘এবার লড়াই অনেক জোরদার। কর্মীদের আত্মবিশ্বাস চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এই মুহূর্তে তাদের পাশে থাকা খুব প্রয়োজন। বাম নেতৃত্বের সঙ্গেও সমন্বয় রাখতে হচ্ছে।’ এবার ভোটে লড়ছেন আদিবাসী কুড়মি সমাজ সমর্থিত নির্দল প্রার্থী অজিত প্রসাদ মাহাতো। গ্রামের দিকে এজেন্ট নিয়োগে যাতে সমস্যা না হয় তার জন্য দলের কর্মীদের নির্দেশ দেন তিনি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *