এই লোকসভার অন্তর্গত সাতটি বিধানসভার মধ্যে কোন কেন্দ্র থেকে কত লিড নিতে হবে, তা-ও ঠিক করে ফেলেছেন তিনি। ২০১৪ সালে ডায়মন্ড হারবার থেকে প্রথম সাংসদ হওয়ার পর এমপি ল্যাডের অর্থে বিভিন্ন প্রকল্প রূপায়ণ করার পাশাপাশি রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় নতুন উড়ালপুল থেকে নতুন রাস্তা, জল প্রকল্পের কাজ করেছেন অভিষেক।
ডায়মন্ড হারবারে কী কাজ হয়েছে তার বিশদ খতিয়ান দিয়ে ‘নিঃশব্দ বিপ্লব’ নামে পুস্তিকা নিয়মিত প্রকাশ করেছেন। ২০১৪-’২৪— এই দশ বছরে এই লোকসভা কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকার উন্নয়নের কাজ হয়েছে বলে অভিষেকের বক্তব্য। আগামী দিনে দশ হাজার কোটি টাকার কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে এই লোকসভা কেন্দ্রে ফুটবল টুর্নামেন্ট এমপি কাপ চালু করেছেন অভিষেক। মানুষের অভাব অভিযোগ শুনতে ‘এক ডাকে অভিষেক’ নামে জনসংযোগের পৃথক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছেন। করোনার সময়ে মাস-টেস্টিংয়ের ব্যবস্থা করেছিলেন। নিজের লোকসভা এলাকায় এই পারফর্ম্যান্সের পাশে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের সাংগঠনিক দায়িত্বও সামাল দিয়েছেন ৩৬ বছরের যুবক।
চলতি লোকসভা নির্বাচনে জনসভা ও রোড-শো মিলিয়ে মোট ৭২টি কর্মসূচিতে থেকেছেন ডায়মন্ড হারবারের জোড়াফুল প্রার্থী। ভোটের দিনগুলিতে আবার প্রচার না করে নিজের দপ্তরে বসে ভোট মেশিনারির মনিটরিং করেছেন। নিজের ভোটের দিনে অন্য প্রার্থীদের মতো বুথে বুথে ঘোরেন না অভিষেক। আমতলায় নিজের দপ্তরে বসেই ভোটের গতিপ্রকৃতির উপরে নজর রাখেন।
