Siliguri Drinking Water Crisis,জল সংকট মেটাতে শিলিগুড়িতে ট্যাঙ্কার বাড়াচ্ছে পুরসভা, নিজে হাতে পাউচ বিতরণ মেয়রের – siliguri mayor goutam deb distributing drinking water pouch in people


পানীয় জলের সংকটে ভুগছে শিলিগুডি শহর। এই পরিস্থিতিতে পানীয় জলের সংকট মেটাতে শহরজুড়ে বাড়ানো হল ট্যাঙ্কের সংখ্যা। শুক্রবার সকাল থেকে ৪৭টি ওয়ার্ডে পাঠান হচ্ছে মোট ২৯টি ট্যাঙ্ক। এই ট্যাঙ্কারের সংখ্যা আরও বাড়ান হবে বলেই জানিয়েছে পুরসভা। পাশাপাশি পিএইচই-এর তরফেও মোবাইল ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে জলের পাউচ তৈরি করে বিভিন্ন এলাকায় বিলি করা হচ্ছে।উল্লেখ্য গত ২ দিন ধরে পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছে শিলিগুড়ি শহর। জানা গিয়েছে, ২ জুন পর্যন্ত চলবে এই সমস্যা। যে কারণে বৃহস্পতিবার থেকেই ট্যাঙ্কার, পাউচের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় পানীয় জলের চাহিদা মেটানো হচ্ছে। যদিও তাতে খুব বেশি সমস্যার সমাধান হয়নি বলেই অভিযোগ শহরবাসীদের একটা বড় অংশের। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে পানীয় জল কিনে খেতে হচ্ছে। ফলে বিভিন্ন দোকানের সামনে জল কেনার লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে।

এদিকে শুক্রবার সকাল থেকে ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে (নিজের ওয়ার্ড) ঘুরছেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে জলের পাউচ বিলি করছেন তিনি। এছাড়াও জল পেতে যাতে মানুষের কোনও সমস্যা না হয়, সেই দিকটিও দেখছেন মেয়র। এই বিষয়ে মেয়র বলেন, ‘মানুষের সমস্যা হচ্ছে। আমরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। জলের ট্যাঙ্কের সংখ্যা বাড়ান হচ্ছে। গতকাল ১ লাখ জলের পাউচ বিলি হয়েছে। সেই সংখ্যাও বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

এদিকে এই ইস্যুতে বৃহস্পতিবার সিপিএম-এর বিক্ষোভের মুখে পড়েন মেয়র। সেই বিষয়েও এদিন মুখ খুলেন মেয়র। গৌতম দেব বলেন, ‘যে ভাবে গতকাল আন্দোলন হয়েছে, আমাকে হেনস্থা করা হয়েছে তা নিন্দনীয়। আমি পালিয়ে যাওয়ার মানুষ নই। বিজেপি, সিপিএম মিলে এই সব করছে।’ এই পরিস্থিতির জন্য নাম না করে পূর্বতন বাম আমলকেই দায়ী করেন মেয়র।

এদিকে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় জল কেনার জন্য লম্বা লাইন দেখা যাচ্ছে। এই বিষয়ে এক বিক্রেতা জানিয়েছেন, ১ লিটার জল ৫ টাকা, ২ লিটার জল ১০ টাকা এবং ৫ লিটার জল ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে যোগানের চেয়ে চাহিদা যে অনেক বেশি তা কার্যত ওই বিক্রেতার কথাতেই ধরা পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে কার্যত জলের জন্য নাজেহাল শিলিগুড়ির মানুষ। তাদের একটাই আবেদন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই জল সমস্যার সমাধান করা হোক।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You missed