Anwarul Azim Anar Case : বাংলাদেশের সাংসদ খুনের তদন্তে সিট গঠন সিআইডির – cid formed a seat to investigate of bangladesh mp anwarul azim anar


এই সময়: বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিমের খুনের তদন্তে এবার সিট গঠন করল সিআইডি। আইজি পদমর্যাদার একজন আধিকারিকের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে এই বিশেষ টিম। এছাড়াও টিমে আছেন তিনজন ডিআইজি পদমর্যাদার অফিসার। ইতিমধ্যেই এই খুনের ঘটনায় নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে মাংসপিণ্ড এবং কিছু চুল উদ্ধার হয়েছে।সেগুলি সাংসদেরই কিনা তা জানতে মাংসের টুকরোগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষাতে পাঠানো হচ্ছে। সিআইডি সূত্রের খবর, বাংলাদেশের সাংসদ আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে ফিরদৌস ডারিনের ভারতে আসার অপেক্ষা করা হচ্ছে। তিনি এলেই তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের গোয়েন্দাদের একটি দল কলকাতা থেকে ঘুরে গিয়েছে।

তাঁরা অভিযুক্তদের সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থল-সহ একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছে। রাজ্য গোয়েন্দা দপ্তর সূত্রে বলা হয়েছে, বরানগরের বাসিন্দা গোপাল বিশ্বাস নামে এক ব্যবসায়ী গত ১৮ মে স্থানীয় থানায় সাংসদের বিষয়ে মিসিং ডায়েরি করেন। সেই সূত্র ধরে তদন্ত শুরু হয়। এরপর গত ২২ মে বাংলাদেশের শেরেবাংলা নগর থানায় নিহত সংসদ সদস্যের মেয়ে মুমতারিন ফিরদৌস ডরিন একটি অপহরণের মামলা দায়ের করেন।

সেখানে তিনি অভিযোগে লেখেন, ‘গত ৯ মে আমার বাবা আনোয়ারুল আজিম রাত ৮টায় ফ্ল্যাট নং-৮০৪, ৮ম তলা, বিল্ডিং নং-০৫, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, সংসদ সদস্য ভবন, থানা- শেরেবাংলা নগর, ডিএমপি, ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পরে গত ১১ মে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে আমার সঙ্গে বাবার (মোবাইল নম্বর ০১৭৫৫৩৫০৩৫০)- ভিডিয়ো কলে কথা হয়। তখন বাবার কথাবার্তায় কিছুটা অসংলগ্নতা ছিল।

কমোডে বারবার ফ্লাশের শব্দ! বাংলাদেশের সাংসদ খুনে গোয়েন্দাদের হাতে নতুন তথ্য

এরপর বাবার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তাঁর ফোন বন্ধ পাই। গত ১৩ মে বাবার ইন্ডিয়ান সিম নম্বর (+৯১৭০৬৩২১৪৫৬৯) থেকে উজির মামার (০১৭১১-২৭২৯১২) হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একটি মেসেজ আসে। সেখানে লেখা ছিল, ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি। আমার সঙ্গে ভিআইপি আছে। অমিত সাহার কাছে যাচ্ছি। আমাকে ফোন করার দরকার নেই। আমি পরে ফোন করে নেব।’

এরপর আরও কয়েকটি মেসেজ আসে। সেগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি, অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে আমার বাবাকে অপহরণ করেছে।’ এই অভিযোগের ভিত্তিতে বাংলাদেশ পুলিশও একটি অপহরণের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *