সন্দেশখালির সার্বিক ভোটচিত্র দেখে তিনি জানান, সন্দেশখালি পরিবেশ দেখে তাঁর ভালো লেগেছে। শান্তিপূর্ণ ভাবে এ বছর ভোট দিতে পেরেছে সন্দেশখালির মানুষ। সাংবাদিকদের কাছে কিছু অভিযোগ থাকলেও তাঁর কাছে কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। কিছু জায়গায় বিজেপির এজেন্টকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। তবে রেখার দাবি, কেউ চক্রান্ত করে এমন কিছু করলেও নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে নজর রাখা হচ্ছে। তারাই ব্যবস্থা নেবে। তৃণমূল বিক্ষোভ করলেও রেখা পাত্র কোনও তর্কবিতর্কে যাননি। তাঁর বিশ্বাস সবকিছু শান্তিপূর্ণ ভাবেই চলছে।
সন্দেশখালি এলাকায় শেখ শাজাহানের বাড়িতে ইডি হানার পর থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এরপর থেকেই শুরু হয় আন্দোলন। স্থানীয় কিছু মহিলারা লাগাতার আন্দোলন শুরু করেন সন্দেশখালিতে। জমি দখল, জমি নিয়ে ভেড়ি নির্মাণ সহ একাধিক অভিযোগ ছিল গ্রামবাসীদের। পরবর্তীকালে সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপরে অত্যাচারের অভিযোগ সামনে নিয়ে আসা হয়। সেই সময় থেকেই সন্দেশখালি আন্দোলনের অন্যমত মুখ হয়ে উঠেছিলেন রেখা। পরবর্তীতে তাঁকে প্রার্থী করে বিজেপি। রেখার সঙ্গে সরাসরি ফোনে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এদিকে, সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচারের ঘটনা ‘সাজানো’ বলে দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। একের পর এক এই সংক্রান্ত স্টিং অপারেশনের ভিডিয়ো সামনে আসতে থাকে। মহিলাদের অর্থের বিনিময়ে ‘মিথ্যা’ অভিযোগ করানো হয় বলে অভিযোগ তোলা হয় তৃণমূলের তরফে। এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছে হাজি নুরল ইসলাম। অন্যদিকে, সিপিএমের হয়ে এই আসন থেকে লড়ছেন সন্দেশখালির প্রাক্তন বিধায়ক নিরাপদ সর্দার।