যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ভাঙড়ে ভোটের আগের রাত থেকেই দফায় দফায় অশান্তি ও উত্তেজনা। ভোটের দিনও তা অব্যাহত। বেলা যত গড়িয়েছে ততই ভাঙড়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে উঠে আসতে থাকে একের পর এক সংঘর্ষ ও অশান্তির খরব। তবে এই সমস্ত অশান্তির জন্য নাম না করে বিরোধীদেরই নিশানা করলেন ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী সায়নী ঘোষ।যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী বলেন, ‘যাঁরা এই ধরনের অশান্তি সৃষ্টির করছেন, তাঁরা বুঝতেই পারছেন যে জেতার কোনও অবকাশ নেই। ফলে অশান্তি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তৃণমূল জেতার অবস্থায় রয়েছে। মানুষ তৃণমূলের সমর্থনে বেরিয়ে আসবে এই বিষয়ে আমরা নিশ্চিত। যাঁরা ওখানে অশান্তি করছেন, তাঁদের অনুরোধ করব, এটা রাজনৈতিক লড়াই। আপনারা বড় নেতা। আর নেতারা নেতাদের মতো কাজ করলেই ভালো। কর্মীদের হিংসার মুখে ঠেলে দেবেন না। মানুষকে শান্তিতে ভোট দিতে দিন।’ এদিন ভাঙড়ে যাবেন বলেও জানান সায়নী। পাশাপাশি ভোট দিতে যাওয়ার আগে বাড়ির সামনের শিব মন্দিরে পজোও দেন যাদবপুর কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী।
ভোটের আগের রাত থেকেই দফায় দফায় অশান্তি ছড়িয়েছে ভাঙড়ে। ভোটের দিন ভাঙড়ের ২ এর সাতুলিয়া এলাকায় ভোট দিতে গেলে আইএসএফ কর্মী সমর্থকদরে ঘিরে ধরে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ধারাল অস্ত্র এবং বন্দুকের বাঁট দিয়ে হামলা চালান হয় বলে অভিযোগ। এমনকী রেয়াত করা হয়নি মহিলারাও। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আইএসএফ-এর দুই কর্মী। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। আহতদের চিকিৎসার জন্য জিরানগাছা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
ভোটের আগের রাত থেকেই দফায় দফায় অশান্তি ছড়িয়েছে ভাঙড়ে। ভোটের দিন ভাঙড়ের ২ এর সাতুলিয়া এলাকায় ভোট দিতে গেলে আইএসএফ কর্মী সমর্থকদরে ঘিরে ধরে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। ধারাল অস্ত্র এবং বন্দুকের বাঁট দিয়ে হামলা চালান হয় বলে অভিযোগ। এমনকী রেয়াত করা হয়নি মহিলারাও। ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আইএসএফ-এর দুই কর্মী। খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। আহতদের চিকিৎসার জন্য জিরানগাছা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।
অন্যদিকে আইএসএফ ও তৃণমূলের সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়ায় ভাঙড়ের ফুলবাড়ি এলাকাতেও। বুথে এজেন্ট বসাতে গেলে আইএসএফ কর্মীদের উপর আক্রমণ করার অভিযোগ ওঠে। পালটা আইএসএফ-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূলও। ঘটনায় উভয় পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত। এক্ষেত্রেও ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন আইএসএফ প্রার্থী নুর আলম খান। পরে অবশ্য ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এর আগে গতরাতেও অশান্তি ছড়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই জায়গায়। এমনকী আইএসএফ প্রার্থীর গাড়িতেও ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় পুলিশের কাছে অভিযোগও দায়ের করেন আইএসএফ প্রার্থী।