রেখা পাত্র,’৫ জুলাই পর্যন্ত রেখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নয়’, পুলিশকে নির্দেশ হাইকোর্টের – calcutta high court has given a order to police about basirhat lok sabha election bjp candidate rekha patra


হাইকোর্টে স্বস্তি বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রর। আগামী ৫ জুলাই পর্যন্ত রেখা পাত্রর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ, সোমবার এমনটাই নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা। মামলার পরবর্তী শুনানি ১৯ জুন।

শুনানিতে ঠিক কী হল?

এদিন রেখার আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য আদালতে বলেন, ‘রেখা সংগ্রামী মহিলা। গণনার আগে ফের তাঁর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে পুলিশ। মিথ্যে অভিযোগ এনে এমন ধারা দেওয়া হয়েছে, যাতে দশ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে।’ অন্যদিকে রাজ্যের তরফে আদালতে জানান হয়, ‘অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অনেক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।’ উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে এই নির্দেশ দেন বিচারপতি। আগামীকাল ভোটের গনণা।এই পরিস্থিতিতে প্রার্থী যাতে বিনা বাধায় তাঁর নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন করতে পারেন, তার জন্য তাঁকে রক্ষাকবচ দেওয়ার আর্জিই জানান হয় আদালতে। আইনজীবী আরও জানান এর আগেও রেখার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় আদালত তাঁকে ১৪ জুন পর্যন্ত রক্ষাকবচ দিয়েছিল।

ভোটের দিন অশান্তি সন্দেশখালিতে

উল্লেখ্য গত শনিবার লোকসভা নির্বাচনের দিন ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বসিররহাটের সন্দেশখালির বয়ারমারি। দফায় দফায় ছড়ায় উত্তেজেনা। একাধিক এলাকায় ছড়ায় অশান্তি। সংঘর্ষ ও অশান্তিতে মাথা ফাটে এক বিজেপি কর্মীরও। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং পুলিশকে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, ৫০ থেকে ৬০ জনের বাইক বাহিনী হামলা চালিয়েছে তাদের উপরে। অভিযোগ, ভাঙচুর করা হয় বিজেপি বুথ এজেন্টের বসার জায়গা। এমনকী বাইকেও ভাঙচুর চালান হয় বলে অভিযোগ। যার জেরে কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় ভোট দিতে যান আক্রান্ত বিজেপি কর্মী।

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ রেখার

এদিকে এই ঘটনায় পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। বয়ারমারির ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র। পুলিশ শাসকদলের হয়ে কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। আর এই সবেরই মাঝে আদালতে আপাতত এক মাসের জন্য স্বস্তি পেলেন বসরিহাটের বিজেপি প্রার্থী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *