যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে একমাত্র ভাঙড় বিধানসভাটি ISF বিধায়কের অধীনে। এই বিধানসভা এলাকায় ফল কেমন হবে? সায়নী বলেন, ‘নওশাদ সিদ্দিকি মানুষকে ভুল বুঝিয়ে জোর করে একটি আসন পেয়ে গিয়েছিলেন। বিগত তিন বছরে উনি কিছু কাজ করেননি। ভাঙড়ের মানুষ বিশ্বাস করেন, ISF-এর সঙ্গে একটি গোপন আতাঁত রয়েছে বিজেপির সঙ্গে। গতবারের ২৬ হাজার পিছিয়ে থাকা জায়গাতেই মানুষ এবার লিড দেবে আমাদের। সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে।’
পাশাপাশি, বিভিন্ন চ্যানেলের এক্সিট পোলকে কটাক্ষ করেন করেন তারকা প্রার্থী সায়নি ঘোষ ও অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এগুলি আদৌ বাস্তবিক নয়, ফলাফল প্রকাশ হলেই সেটা পরিষ্কার হয়ে যাবে বলে জানিয়ে দেন তাঁরা। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কর্মীদের গণনা কেন্দ্রে শেষ পর্যন্ত থাকার নির্দেশ ও পর্যবেক্ষক নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গতকাল। দলীয় শীর্ষ নেত্রত্বকে নির্দেশ মেনেই কাল ভোট গণনার দিন গণনা কেন্দ্রে তৃণমূল কর্মীরা মাটি কামড়ে পড়ে থাকবেন বলে জানিয়ে দেন সায়নী।
উল্লেখ্য, যাদবপুর কেন্দ্র থেকে এবার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সায়নী ঘোষের সঙ্গে জোর লড়াই হয়েছে বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায় এবং সিপিএম প্রার্থী সৃজন ভট্টাচার্যর। গতবার এই কেন্দ্রে তিন লাখের কাচাকাক্সহী ব্যবধান নিয়ে জিতেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। এমনকি, গত বিধানসভা নির্বাচনে এই লোকসভার অন্তর্গত ভাঙড় বিধানসভা বাদ দিয়ে বাকি ছয়টি বিধানসভাতেই জয় ছিনিয়ে আনতে পেরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলত, এবারেও লোকসভা নির্বাচনে ভালো ব্যবধান রেখে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী তাঁরা।