তবে এদিন আদালতে কমিশন জানায়, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পোলিং অফিসারদের মধ্যে কাউকে চুক্তি ভিত্তিক কর্মী নেওয়া হয়নি। তাঁদের দাবি, মামলায় কোনও নথি দেওয়া হয়নি, যেখানে এটা প্রমাণ হয়, এমন কর্মী নেওয়া হয়েছে।
পালটা মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করেন, ডিসিআরসিতে পুরো দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অস্থায়ী কর্মীদের। ওটা একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। হাওড়া ও বালি পুরসভার চুক্তি কর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে আদালতে।
এর উত্তরে কমিশন আদালতে জানায়, ভোট গণনা টেবিলে একজনও অস্থায়ী কর্মী থাকবেন না। দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে আদালতের নির্দেশ, অঙ্গন ওয়ারি কর্মী, প্যারা টিচার, সিভিক ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা যাবে না। নির্বাচন কমিশনের গাইড লাইন মেনে ভোটে কর্মী নিয়োগ করতে হবে। গাইড লাইন অনুযায়ী যে সব জায়গায় অস্থায়ী কর্মীদের কাজে লাগানো হবে, সেখান থেকে যারা যাতে ভোট গণনা টেবিলের কাছে না যেতে পারে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। রিটার্নিং অফিসার এমন কোনও লোক নিয়োগ করতে পারবেন না। কমিশনকে নির্দেশ কঠোর ভাবে নিয়োগ নির্দেশ কার্যকর করতে হবে।
উল্লেখ্য, একই দাবি নিয়ে এদিন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল সিপিএম। সিপিএমের দাবি ছিল, চুক্তিভিত্তিক, অস্থায়ী বা অবসরপ্রাপ্ত কোনও কর্মীকে গণনা কর্মী হিসেবে নিয়োগ করা যাবে না। গণনা কেন্দ্রে বহিরাগতদের ঢুকে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে এই কর্মীদের কাজে লাগালে। তাই গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। কাউন্টিং এজেন্টদের নিরাপত্তাও সুনিশ্চিত করার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনে দাবি জানিয়েছে বামেরা।
