লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে সন্দেশখালি নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে অমিত শাহ, অনেক নেতাই দাবি করেছিলেন সন্দেশখালির জন্য তাঁদের হৃদয় ‘ডুকরে কাঁদছে’। আর এই রাজনীতিকরা সুক্ষ্মভাবে ‘অভিযোগ রাজনীতির’ ডোজ দিয়ে যাচ্ছিলেন নিজেদের বক্তব্যে।
শুধু তাই নয়, সন্দেশখালির ‘প্রতিবাদী মুখ’ হিসেবে দাবি করা রেখা পাত্রকে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। এদিকে তৃণমূল সেলেব মুখ নুসরত জাহান থেকে সরে পোড় খাওয়া সংগঠক হাজি নুরুল ইসলামকে প্রার্থী করেছিল।
রেখার ‘রাজনৈতিক ভাগ্যরেখা’ বদলাতে ময়দানে নেমেছিলেন স্বয়ং নরেন্দ্র মোদী। তিনি ফোন করেছিলেন বিজেপি প্রার্থীকে। এরপর থেকেই বারংবার ফোকাসে এসেছেন রেখা। তারপরেও কোন অংকে এগিয়ে হাজি নুরুল ইসলাম?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের কথায়, ‘সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিয়ো (এই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল) যেখানে বিজেপির মণ্ডল সভাপতি দাবি করছেন এটি সাজানো, তা মানুষের মনে গভীরভাবে দাগ কেটেছে। সন্দেশখালি নিয়ে বিজেপির রাজনৈতিক বাক্যবাণ সেভাবে গ্রহণ করেনি সাধারণ মানুষ।’
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের কথায়, ‘হাজি নুরুল মিতভাষী, এলাকাবাসীর আপদে বিপদে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। অন্যদিকে, রাজনীতির ময়দানে আনকোরা রেখা। প্রচারে তাঁর রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলিও স্পষ্ট হয়নি।’
এখনও অবশ্য অনেকটা সময় বাকি। বিশেষজ্ঞদের কথায়, ‘ব্যাবধান অনেকটাই বাড়িয়েছেন হাজি নুরুল। ফলাফলের আভাস স্পষ্ট।’ এদিন সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নের মুখে খুব একটা বেশি কিছু বলেননি রেখা পাত্র। গণনা শেষে কার ঝুলিতে কত ভোট আসে? এখন সেই দিকে সব নজর।