Bangladesh MP Case,MP খুনে অভিযুক্ত সিয়াম ধৃত বনগাঁয় – cid arrest accused siam hossain from bangaon in bangladesh mp anwarul azim anar case


এই সময়: বাংলাদেশের এমপি আনোয়ারুল আজিমকে খুনের ঘটনায় নেপাল থেকে অভিযুক্ত সিয়াম হোসেনকে গ্রেপ্তার করল সিআইডি। শুক্রবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান এই তথ্য প্রকাশ্যে আনার পরে রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়।শুক্রবার দুপুরে ঢাকার মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে ডিএমপি কমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, ‘কলকাতায় সিআইডি এই খুনের মামলার তদন্ত করছে। তাদের হেফাজতে দুজন অভিযুক্ত রয়েছে। একজনকে তারা নেপাল থেকে নিয়ে এসেছে। আরেকজনকে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।’ তবে নেপাল থেকে সিআইডি কাকে গ্রেপ্তার করেছে, তার নাম জানাননি কমিশনার। শুক্রবার রাতে সিআইডির পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশের ভোলার বাসিন্দা সিয়ামকে এমপি খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৩ মে নিউটাউনের সঞ্জীবা গার্ডেনে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমকে বালিশ চাপা দিয়ে খুনের পরে দেহ কুচিকুচি করে কাটা হয়। এই ঘটনার তদন্তে নেমে বাংলাদেশ পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। এদের মধ্যে তিনজন বাংলাদেশ পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। বাকি দুজন কলকাতায়। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হওয়া অভিযুক্তরা হলেন, আমানুল্লা সাঈদ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভূঁইয়া, তানভীর ভূঁইয়া ও শিলাস্তি রহমান।

Bangladesh MP Case : সাংসদ আনোয়ারুল হত্যার পর নেপালে গা ঢাকা, মূল অভিযুক্ত সিয়ামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
মুম্বই থেকে সিআইডি গ্রেপ্তার করে জিহাদ হাওলাদার নামে এক কসাইকে। ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারীরা জানতে পারেন খুনের ঘটনার পরে দেহাংশ সরিয়ে দেওয়ার কাজে যুক্ত ছিলেন সিয়াম। কাজ মিটে যাওয়ার পরে অন্যরা বাংলাদেশ ফিরে গেলেও তিনি সড়কপথে নেপালে গা ঢাকা দেন। তার খোঁজে সে দেশে সিআইডির টিম পৌঁছে যায়। জানা গিয়েছে, সিয়ামকে নেপালে গত সপ্তাহে আটক করা হয়।

সেই খবর পেয়ে সেখানে হাজির হন বাংলাদেশ পুলিশের গোয়েন্দা প্রধান হারুন অর রশিদ। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে নেপালের বন্দিপ্রত্যার্পণ চুক্তি না থাকায় তিনি বেশ কয়েকদিন চেষ্টার পরে ব্যর্থ হয়ে দেশে ফিরে যান।

‘সংসদ সদস্য আনোয়ারুল খুনের মামলা কোন দেশে হবে?’ শুক্রবার সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটে সেখানেই তদন্ত হয়। তবে বাংলাদেশের আইনেও বিদেশে কেউ অপরাধ করলে অপরাধীকে দেশে এনে বিচারের কথা বলা আছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। কমিশনারের কথায়, ‘আমরা তদন্ত করছি, সিআইডিও করছে। একপর্যায়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে যে কোনও জায়গায় বিচার হতে পারে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *