ডাকাত দলের বাকি সদস্যরা এসে আহত যুবককে টেনে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। দুটি বাইকে করে ডাকাতি করতে এসেছিল তারা। এরপর সেই দুটি বাইক করেই সাতজন মিলে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু, কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা বুঝতে পারে এভাবে পালাতে গেলে ধরা পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
এরপরেই রানিগঞ্জ থেকে আসানসোল যাওয়ার সময় মহিশীলা কলোনির মোড়ের কাছে একটি চার চাকা গাড়িকে পাকড়াও করে তারা। নয়ন দত্ত নামে এক ব্যক্তি পরিবারের লোকজনের সঙ্গে অনুষ্ঠান বাড়িতে যাচ্ছিলেন। ডাকাত দল তাঁদেরকে গাড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। দিতে রাজি হননি গাড়ির মালিক। এরপরেই নয়ন দত্ত নামে ওই ব্যক্তির পায়ে গুলি করা হয় বলে খবর। সেখানে আরও এক ব্যক্তিকে গুলি করে ডাকাত দল। নয়ন দত্ত নামে ওই ব্যক্তিকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
এরপরেই গাড়িটি নিয়ে চম্পট দেয় ডাকাত দল। সেখানেই দুইটি বাইক ফেলে রেখে পালিয়ে যায় ডাকাত দল। সেই দুটি বাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে সিআইডি। ডিসি সেন্ট্রাল ধ্রুব দাসের নেতৃত্বে তদন্ত চালানো হচ্ছে। তবে, ডাকাত দলের সদস্যরা কোনদিকে পালিয়েছে সে ব্যাপারে এখনও কিছু জানায়নি পুলিশ। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
তবে, গোটা ঘটনায় ইতিমধ্যে ওই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বাজার এলাকার মধ্যে এভাবে সাত সকালে ডাকাতির ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন আশেপাশের অন্যান্য ব্যবসায়ীরাও। ডাকাত দলের সদস্যেদের দ্রুত পাকড়াও করার ব্যাপারে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে। আশেপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।
