Firhad Hakim Meeting With Panihati Municipality Councillor


এই সময়, পানিহাটি:
ঠিকাদারদের যেমন কয়েক কোটি বকেয়া রয়ে গিয়েছে, তেমনই পুরসভার বিভিন্ন খাতে বকেয়া বহু টাকা। ফলে একদিকে যেমন থমকে উন্নয়নের কাজ, তেমনি অস্থায়ী কর্মীদের বেতন আগামী দিনে কী ভাবে হবে তা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। হাত পড়েছে পুরসভার স্থায়ী আমানতে৷ সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে যার ফল ভুগতে হয়েছে শাসক শিবিরকে।সূত্রের দাবি, গত বিধানসভার তুলনায় লোকসভায় পানিহাটিতে তৃণমূলের ভোট কমেছে প্রায় ১৫ হাজার। যা এখন শাসক দলের মাথাব্যথার কারণ। এই পরিস্থিতিতে পুরমন্ত্রীর ডাকা শনিবারের পর্যালোচনা বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ৩৫ ওয়ার্ডের পানিহাটি পুরসভায় ৩৩ জন তৃণমূলের কাউন্সিলার থাকা সত্ত্বেও নাগরিক পরিষেবার দায় নিয়ে এর আগে পুরপ্রধান মলয় রায় এবং স্থানীয় বিধায়ক নির্মল ঘোষের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে বারবার।

পুরপ্রধান বিধায়কের বিরুদ্ধে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন। উল্টোদিকে বিধায়ক পুরপ্রধানকে অসুস্থ দাবি করে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যর্থতার অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয়েছেন। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে কাউন্সিলারদের বড় অংশ পুরপ্রধান বদলের দাবি জানিয়েছিলেন। তারই রেশ ধরে শনিবারের বৈঠক ঘিরে পানিহাটিতে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। গুঞ্জন শুরু হয়েছে পুরপ্রধান পরিবর্তন নিয়েও।

যদিও পুর প্রতিনিধিদের একাংশের ব্যাখ্যা, পুরমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক করতেই আসছেন। কী ভাবে আগামী দিন পুরসভা চলবে তার পথ বাতলে দেবেন মন্ত্রী। যদি পরবর্তী সময় পুরপ্রধান বদল হয়, সেক্ষেত্রে পানিহাটিতে নতুন কোনও মুখ, নাকি সেই পরিবার কেন্দ্রিক রাজনীতিরই পুনরাবৃত্তি হবে তা নিয়েই চলছে জলঘোলা।

ভোট-রেজাল্টের রিভিউ মিটিংয়ে সাংসদ কাকলি

যদিও যে সমস্ত পুরপ্রতিনিধিরা পুরপ্রধান বদলের দাবি জানিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে চিঠি দিয়েছিলেন, তাঁদের একটা অংশ পানিহাটিতে পরিবারতন্ত্রের বিরুদ্ধেই। তৃণমূলের কেউ বিষয়টি নিয়ে মুখ না খুললেও কলকাতা উত্তর শহরতলির বিজেপির জেলা সহ সভাপতি কৌশিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘মানুষকে দুর্ভোগে রেখে নিজের ক্ষমতা, কর্তৃত্ব ধরে রাখতে যারা পুরসভাকে অচল বানিয়ে রাখেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের উচিত তাদের হাত থেকে পানিহাটিকে মুক্তি দেওয়া।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *