Abhishek Banerjee,অভিষেকের ফোন নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগ, দিল্লি থেকে ধৃত রূপান্তরকামী – trans gender lady has been arrested allegedly for using abhishek banerjee phone number


তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগ। ঘটনায় গ্রেফতার ১। ধৃতের নাম সোফিয়া চক্রবর্তী। তাঁকে দিল্লির ছাতারপুর থেকে গ্রেফতার করেছেন লালবাজারের গুণ্ডা দমন শাখার আধিকারিকরা। ধৃতকে পুলিশি হেফাজতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোন নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণার চেষ্টার অভিযোগ। তদন্তে নেমে দিল্লি থেকে এক রূপান্তরকামী মহিলাকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। লালবাজার সূত্রে খবর, গত ৭ জুন রায়গঞ্জ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানের কাছে একটি ফোন যায়। যে ফোন করেছিলেন তিনি নিজেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় হিসেবে পরিচিয় দিয়ে বলেন, ‘আমার এক পরিচিত সোফিয়া চক্রবর্তীর পরিবারের একজনের একটি জমি নিয়ে জট রয়েছে। আপনি একটু দেখে দিন।’ ফোনটি রাখার পর ভাইস চেয়ারম্যান দেখেন নম্বরটি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু কণ্ঠস্বর অন্যরকম লাগে তাঁর। সঙ্গে সঙ্গে তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে গোটা বিষয়টি জানান।

পরেরদিন অর্থাৎ ৮ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক শেক্সপিয়র সরণি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। যার প্রেক্ষিতে তদন্তভার গ্রহণ করে লালবাজারের গুণ্ডা দমন শাখা। জানা যায়, দিল্লির ছাতারপুরের ময়দানগড়ি থানা এলাকা থেকে সোফিয়া চক্রবর্তী নামে এক রূপান্তরকামী মহিলা ওই ফোনটি করেছিলেন। এরপরই গোয়েন্দাদের একটি দল দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা প্রথমে দিল্লি পুলিশের সহায়তা পায়নি বলেই অভিযোগ। পরবর্তীতে সহায়তা পেলে ১০ জুন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে ধৃতকে কলকাতায় আনার জন্য দিল্লি বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়। অভিযোগ, সেখানে গণ্ডগোল করতে থাকেন ধৃত মহিলা। ফলে পরের দিন দুপুরের বিমানে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা করে পুলিশ। ফের গণ্ডগোল পাকানোয় সেই পরিকল্পনাও ব্যর্থ হয়। অবশেষে ধৃতকে গাড়িতে করে দিল্লি থেকে কলকাতায় নিয়ে আসেন লালবাজারের গোয়েন্দারা।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, ধৃতের পৈতৃক সম্পত্তি সম্পত্তি সংক্রান্ত সমস্যা ছিল। সমাধানের রাস্তা না পেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীর সঙ্গে পরিচয় করেন সোফিয়া। এরপর তাঁর সহায়তায় ইন্টারনেট থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসের সিইউজি নম্বর জোগাড় করেন তিনি। প্রযুক্তির মাধ্যমে ওই নম্বরটি ক্লোন বা স্পুফ করে রায়গঞ্জ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যানকে ফোন করেন। গোটা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে কলকাতা পুলিশ।





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *