পঞ্চায়েত দফতরের মাধ্যমে এই টাকা দেওয়া হয়ে থাকে। এই খাতে ৬০ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে থাকা বার্ধক্য ভাতা প্রাপকদের জন্য কেন্দ্র কিছু সাহায্য করে। কেন্দ্রের তরফে দেওয়া হয় ২০০ টাকা। বাকি টাকা দিতে হয় রাজ্য সরকারকে। বার্ধক্য ভাতার জন্য মোট ১৫০ কোটি টাকা রাজ্যের ভাঁড়ার থেকে খরচ করা হয়ে থাকে। কেন্দ্রের প্রদেয় অর্থকেও ব্যবহার করতে চাইছে রাজ্য সরকার। সেই কারণে, কেন্দ্রীয় পোর্টালে সেই সব সুবিধাভোগীদের নাম তোলার কাজ শুরু হয়েছে। দ্রুত এই কাজ শেষ করার নির্দেশ রয়েছে। খুব শীঘ্রই রাক্যের ৫০ হাজার নতুন বার্ধক্য ভাতা সুবিধাভোগীর সংখ্যা হবে বলেই জানানো যাচ্ছে।
সাধারণত, যে সমস্ত ব্যক্তি ৬০ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স এবং তাঁদের কাজ করার ক্ষমতা নেই, তাঁদেরকেই এই আর্থিক সাহায্য করা হয় রাজ্য সরকারের তরফে। বিষেশ ভাবে সক্ষমদের জন্য বয়সে ছাড় দেওয়া হয় এই প্রকল্পের মাধ্যমে। সেক্ষেত্রে বিষেশ ভাবে সক্ষমদের জন্য ৫৫ বছর হলেইএই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারবেন তাঁরা। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দারা এই প্রকল্পে আবেদন করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। পুরুষ এবং মহিলা উভয়ে আবেদন করতে পারবেন।
রাজ্য সরকারের দেওয়া এই অর্থের জন্যে প্রচুর মানুষ উপকৃত হয়েছেন ইতিমধ্যে। রাজ্যের বয়স্ক মানুষরা বিশেষ আস্থাশীল হয়ে ওঠেন রাজ্য সরকারের প্রতি এই প্রকল্পের জন্য। এর আগেও মুখ্যমন্ত্রীকে একাধিকবার বলতে শোনা গিয়েছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার যে সব মহিলাদের দেওয়া হচ্ছে, তাঁদেরকেও ৬০ বছর পেরিয়ে গেলে এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করে নেওয়া হবেই। লোকসভা নির্বাচনের পর এই বার্ধক্য ভাতা নিয়ে সরকার আরও একটি বড় পদক্ষেপ নিল বলেই মনে করা হচ্ছে।
