আর এই হরেক আক্রমণের মধ্যেই প্রকৃতি সুড়সুড় করে খেলা ঘুরিয়ে দিল! ঘড়ির কাঁটা ২টো ছুঁই ছুঁই! ‘ইউরেকা ইউরেকা’, ‘ডি লা গ্রান্ডি মেফিস্টোফিলিস’-একাই বলে উঠলেন ‘বৃষ্টি বিশ্বাসী’! ‘ইয়াক ইয়াক’ বলার জন্যও কেউ ধারে কাছে আসেনি। তিনি একাই একশ! দু চার পশলা বৃষ্টিতে মন গদগদ। ঘেমে নেয়ে একাকার হওয়ায় ‘দ্য এন্ড’ কিনা জানা নেই, কিন্তু ‘বৃষ্টি ভরসা’ আর মনের ফাটলে আঠার কাজ করল আজকের ভেজা শহর, তা স্পষ্ট।
উত্তরবঙ্গে সময়ের আগে প্রবেশ করেছে বর্ষা। কিন্তু, তারপর খুব একটা নড়ন চড়ন হয়নি মৌসুমী অক্ষরেখার। তার উপর গত চার থেকে পাঁচ দিন ধরে দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ বাড়ছিল। তাপমাত্রার পাশাপাশি অস্বস্তি বাড়াচ্ছিল আপেক্ষিক আর্দ্রতা। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা প্রবেশ করতে চলেছে। তার আগে বৃহস্পতিবার কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সমস্ত জেলাতেই ছিল বৃষ্টির পূর্বাভাস।
উল্লেখ্য, এই সপ্তাহেই মৌসুমী বায়ু ইসলামপুর থেকে নীচের দিকে নামতে পারে। দক্ষিণবঙ্গের প্রাক বর্ষার বৃষ্টিপাত শুরু হলেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আপাতত নেই। তবে সপ্তাহান্তে বদলাতে পারে আবহাওয়া। রয়েছে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা।
এদিকে এদিন শুধু কলকাতা নয়, দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় রয়েছে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা। নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনায় বিক্ষিপ্তভাবে হয়েছে বৃষ্টিপাত।