এই সময়, দুর্গাপুর: আনুষ্ঠানিক ভাবে এডিডিএ-র চেয়ারম্যানের আসনে বসলেন কবি দত্ত। বুধবার নতুন দায়িত্বে বসেই জমি দখলকারীদের বিরুদ্ধে কার্যত হুমকি দেন তিনি। বলেন, ‘সরকারি জমি দখল কোনও ভাবে বরদাস্ত করা হবে না।’এদিন এডিডিএ-র নতুন চেয়ারম্যানের ঘোষণায় খুশি দুর্গাপুরের নাগরিকরা। ডিএসপির আধিকারিক অম্বুজানগরীর বাসিন্দা গৌতম মণ্ডল বলেন, ‘সিটি সেন্টার এলাকায় একাধিক রাস্তার ধারে সার দিয়ে গজিয়ে উঠেছে খাবারের দোকান। রেসিডেন্সিয়াল এলাকায় একের পর এক খাবারের দোকান, বুটিক বা ক্যাফে চলছে। এখানে আসা ক্রেতারা রাস্তার উপরেই গাড়ি পার্কিং করেন। রাস্তা দিয়ে হাঁটে বা মোটরবাইকে যাওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এখন নতুন চেয়ারম্যান যদি রাস্তার ধার থেকে দোকান সরাতে পারেন তাহলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন।’
তবে কাজটা যে সহজ নয় তা মেনে নিচ্ছেন কবি। এর আগেও প্রাক্তন চেয়ারম্যান তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে দোকান উচ্ছেদ করেছেন। কিন্তু দলের নেতা-কর্মীদেরই একাংশের চাপে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। ফলে ফের দখল হয়েছে সরকারি জমি। কবি বলেন, ‘সরকারি জমি বিক্রির সময়ে ন্যূনতম মূল্য ধার্য করা হয় কাঠা প্রতি ৬০-৭০ লক্ষ টাকা। সেই জমি কেউ দখল করবে এটা হবে না। সেক্ষেত্রে শেষ কথা বলব আমি।’
তবে কাজটা যে সহজ নয় তা মেনে নিচ্ছেন কবি। এর আগেও প্রাক্তন চেয়ারম্যান তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিকবার অভিযান চালিয়ে দোকান উচ্ছেদ করেছেন। কিন্তু দলের নেতা-কর্মীদেরই একাংশের চাপে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন। ফলে ফের দখল হয়েছে সরকারি জমি। কবি বলেন, ‘সরকারি জমি বিক্রির সময়ে ন্যূনতম মূল্য ধার্য করা হয় কাঠা প্রতি ৬০-৭০ লক্ষ টাকা। সেই জমি কেউ দখল করবে এটা হবে না। সেক্ষেত্রে শেষ কথা বলব আমি।’
একইসঙ্গে তিনি জানান, আসানসোল, দুর্গাপুর, দুই শহরেরই উন্নয়ন করতে চান তিনি। বলেন, ‘এখনই সব করে দেওয়া সম্ভব নয়। কখনও ধারণা ছিল না যে এডিডিএ-র চেয়ারম্যান পদে বসব। একটু বুঝে নিয়ে কাজ শুরু করতে চাই।’ এদিন দুর্গাপুরে এডিডিএ-র দপ্তরে নতুন চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণের সময়ে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, সাংসদ কীর্তি আজাদ ও মহকুমাশাসক সৌরভ চট্টোপাধ্যায়।
এদিন দুর্গাপুরের পরে এডিডিএ-র আসানসোল দপ্তরে আসেন কবি। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক এস পোন্নাবলম, মেয়র বিধান উপাধ্যায়, পুরসভার ডেপুটি মেয়র ওয়াসিমুল হক ও আসানসোল বণিকসভার প্রতিনিধিরা।
