Pathashree Prakalpa,বালির গাড়ির চাপে ১ বছরে শ্রী হারিয়েছে ‘পথশ্রী’র রাস্তা – durgapur pathashree road collapsed in just one year under pressure of overloaded sand truck


এই সময়, দুর্গাপুর: নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালি তুলে ট্র্যাক্টরে পাচারের জেরে অতিষ্ঠ বুদবুদ থানার চাকতেঁতুল পঞ্চায়েতের বাসিন্দারা। বালি বোঝাই ওইসব ওভারলোডেড ট্র্যাক্টর যাতায়াতের জেরে গ্রামের অধিকাংশ রাস্তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি রাজ্য সরকারের ‘প্রথশ্রী’ প্রকল্পে তৈরি হওয়া একটি রাস্তার অবস্থায়ও বেহাল হয়ে পড়েছে এই একই কারণে। বালি বোঝাই ট্র্যাক্টর চলাচলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন রাস্তা তৈরির কাজে নিযুক্ত ঠিকাদার।অভিযোগ, প্রতিবাদ করার পর থেকে বালি কারবারিরার ক্রমাগত তাঁকে ফোন করে হুমকি দিচ্ছে। গ্রামের বাসিন্দারাও বালির গাড়ি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। কিন্তু কোনও সুরাহা হয়নি। আগে রাতের অন্ধকারে নদী থেকে বালি তুলে পাচার করা হতো। অভিযোগ, এখন প্রকাশ্য দিবালোকেই চলছে বালি পাচার।

চাকতেঁতুল পঞ্চায়েতের সদস্য বর্ণালি মাজির অভিযোগ, ‘বালির গাড়ি চলাচল বন্ধ করার জন্য প্রশাসনকে জানিয়েছি। প্রধানকে বলা হয়েছে। কিন্তু কোনও কাজ হয়নি।’ রাজ্যের গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত দপ্তরের মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বালি পাচারের কথা শোনার পর বলেন, ‘অবিলম্বে অবৈধ বালির কারবার বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সরকারি টাকায় তৈরি রাস্তা নষ্ট করা বরদাস্ত করা হবে না।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাকতেঁতুল পঞ্চায়েতের শালডাঙা বড়কালী মন্দির থেকে নদীর ধারে শ্মশানঘাট পর্যন্ত প্রায় দেড় কিমি রাস্তা ‘পথশ্রী’ প্রকল্পের অধীনে তৈরি করা হয়েছে। বালি বোঝাই ট্র্যাক্টরের বেপরোয়া যাতায়াতের কারণে বছর ঘুরতে না ঘুরতেই সেই রাস্তার বেশ কিছু জায়গায় দেখা দিয়েছে খানাখন্দ। এই রাস্তাটি তৈরি করা ঠিকাদার বুবাই চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘বালি বোঝাই ট্র্যাক্টরের জন্য কিছুদিনের মধ্যে রাস্তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রতিবাদ করায় বালির কারবারিরা আমাকে ফোন করে হুমকি দিচ্ছে।’

Pathashree Project : দেগঙ্গা ব্লকে রাস্তার কাজ শুরু নবান্নের অনুমোদনে

ওভারলোডেড বালির গাড়ির জন্য শালডাঙা হাটতলা থেকে নদীঘাট যাওয়ার রাস্তার অবস্থাও খারাপ হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বালির গাড়ি যাতায়াত বন্ধ না-হলে গ্রামের কোনও রাস্তা আস্ত থাকবে না। দামোদর নদের রণডিহা, সাঁকুড়ি ও চাকতেঁতুল— এই তিনটি ঘাট থেকে যথেচ্ছ ভাবে বালি তোলা হচ্ছে। অথচ বালির কারবারিরা কোনও রাজস্ব দিচ্ছে না রাজ্য সরকারকে। ট্র্যাক্টরের প্রতি ট্রলি বালি বিক্রি করা হচ্ছে আড়াই-তিন হাজার টাকায়। প্রায় ২০টি ট্র্যাক্টর সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বালি তুলে পাচার করছে বলে দাবি স্থানীয়দের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *