জানা গিয়েছে, নান্দাই পঞ্চায়েতের দুপসা এলাকার বাসিন্দা ছাত্রী। সে খরিনান হাই স্কুলে ক্লাস নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গতকাল সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরোনোর পর থেকেই নিখোঁজ ছিল সে। মৃতের পরিবার-পরিজনেরা গতকাল রাতে পুলিশের কাছে একটি নিখোঁজ ডায়েরিও করে থানায়। কিন্তু, গতকাল রাত থেকে তাঁর খোঁজ মেলেনি। এরপর স্থানীয় একটি পুকুরে তাঁর দেহ ভেসে থাকতে দেখা যায়।
মৃতের আত্মীয়রা জানান, শুক্রবার তাঁদের বাড়ি থেকে প্রায় ১৮ থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে কালনার ধর্মডাঙা এলাকায় সকালে নাবালিকার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতের পরিবার-পরিজনেরা জানিয়েছেন, ওই নাবালিকার সঙ্গে একটি ছেলের প্রণয়ঘটিত সম্পর্ক ছিল। সেই তাঁকে ফোন করে ডেকেছিল। এরপর তাঁকে হাত বেঁধে, মুখে ওড়না ঢুকিয়ে শ্বাসরোধ ধরে খুন করেছে বলে দাবি পরিবারের সদস্যদের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কালনা থানার পুলিশ।
মৃতার বাবা ওয়াসিম মণ্ডল বলেন, ‘আমার মেয়ে কাল সাতটা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। এরপর থেকে খোঁজ পাওয়া যায়নি। আজ সকালে বাড়ি থেকে অনেকটা দূরে একটু পুকুর থেকে ওঁর দেহ পাওয়া যায়। এটি ছেলের সঙ্গে ওঁর ফোনে যোগাযোগ থাকত, সম্পর্ক ছিল জানি।’ সেই ছেলেটিই নাবালিকা মেয়েটিকে নিয়ে গিয়েছিল কিনা, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কার হাত রয়েছে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে, নাবালিকার মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নাবালিকার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
