তবে কোনও রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া এদিন দেননি তিনি। উল্লেখ্য, এই নেতার গলা এদিন কাঁপা কাঁপা ছিল। তাঁর দাবি, তিনি শারীরিকভাবে সুস্থ নন। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে মঙ্গলবার জামিন পান আরাবুল ইসলাম। এদিন যাবতীয় কাগজ এসে পৌঁছনোর পর দুপুর ২ টা ২০ নাগাদ তিনি জেল থেকে ছাড়া পান।
উল্লেখ্য, ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতির নেমপ্লেট থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে আরাবুল ইসলামের নাম। বাবার জামিন প্রসঙ্গে আলাবুলের ছেলে হাকিমুল ইসলাম এদিন বলেন, ‘আদালতের রায়কে স্বাগত জানাচ্ছি।’
প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের ঠিক মুখে তাঁকে ভাঙড়-২ ব্লক তৃণমূলের আহ্বায়ক পদ থেকে সরিয়ে দেয় তৃণমূল। ভাঙড়ে তাঁকে ছাড়াই লোকসভা নির্বাচনে ভালো মার্জিন পেয়েছে তৃণমূল। ৯ জুন ভাঙড়-২ পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি সোনালি বাছাড়কে কার্যকরী সভাপতি করা হয়েছিল। সেই সময় বলা হয়, যেহেতু সভাপতি জেলে রয়েছেন তাই পঞ্চায়েত সমিতির কাজ ঠিকমতো হচ্ছিল না। সেই কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এই দায়িত্ব পাওয়ার পর সোনালি বাছাড় আরাবুলের চেয়ারে বসছেন। তাঁর পাশে বসে পঞ্চায়েত সমিতি পরিচালনায় মতামত রাখতে দেখা যাচ্ছে খইরুল ইসলামকে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা অভিযোগ করেছিলেন, খইরুলকে খুনের ছক কষেছিল আরাবুল।
আরাবুলের জামিন প্রসঙ্গে শওকত মোল্লা অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, এই বিষয়টি বিচারাধীন। তবে আরাবুল ইসলাম যে দলের কোনও পদে নেই তাও জানিয়েছেন তিনি। শওকতের সংযোজন, ‘যেহেতু ও দলে নেই, তাই ওকে নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যথা নেই।’