মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও লিখেছেন, ‘দুর্ঘটনা কমানোর জন্য পথ নিরাপত্তাকে আমাদের আরও গুরুত্ব দিতে হবে। আমাদের মানুষজনের জীবন বাঁচানোর জন্য সেফ ড্রাইভ সেভ লাইভের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ৮ জুলাই রাজ্য সরকার ‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’ কর্মসূচি নিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে তা তৈরি করা হয়েছিল সাধারণ মানুষকে পথ সুরক্ষা এবং সেফ ড্রাইভের বিষয়ে অবগত করার জন্য। নজরুল মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এই উদ্যোগ চালু হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ এবং পরিবহণ দফতর এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এই উদ্যোগে কোন কোন বিষয়ে প্রাথমিক গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছিল?
‘সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ’-এর আওতায় যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির দিকে নজর দেওয়া হয়েছিল তা হল বাইক চালানোর ক্ষেত্রে চালক এবং আরোহীকে বাধ্যতামূলকভাবে হেলমেট পরতে হবে। গাড়ি চালককে অবশ্যই সিট বেল্ট পরতে হবে। মদ এবং মাদক খেয়ে গাড়ি চালানো যাবে না। প্রতিটি সিগন্যাল মানতে হবে। ধীর গতিতে গাড়ি চালাতে হবে। দ্রুত গতি কারও জীবন নেওয়ার কারণ হতে পারে। যদি দীর্ঘ পথ কোনও চালক গাড়ি চালান সেক্ষেত্রে তাঁকে মাঝে মধ্যে বিশ্রাম নিতে হবে।
কী কী শাস্তি হতে পারে নিয়ম না মানলে?
হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালালে ১৭৭ ধারা অনুযায়ী ৫০০ টাকা জরিমানা হতে পারে। বিপজ্জনকভাবে গাড়ি চালালে ১৮৪ ধারা দেওয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা জিতে হবে। যদি উপযুক্ত রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট না থাকে সেক্ষেত্রে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। আরও একগুচ্ছ নিয়ম এক্ষেত্রে সংযোজিত।
