স্থানীয়রা দু’জনকে উদ্ধার করে বালিসাই হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক প্রিয়ন্তিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পূর্ব মেদিনীপুরের এসপি সৌম্যদীপ ভট্টাচার্য বলেন, ‘তলিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে পুলিশ ভেরিফিকেশন চলছে। সেই কারণে ওই কিশোরীর বাড়ি কোথায়, কী ভাবে মৃত্যু হয়েছে, সঠিকভাবে বলা সম্ভব নয়।’
সূত্রের খবর, সাত দিন আগে পরিবারের সঙ্গে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম থেকে বাগুইআটিতে এক আত্মীয়র বাড়িতে বেড়াতে এসেছিল দুই বোন। সোমবার মা-বাবা ও মাসির সঙ্গে মন্দারমণি উপকূলে বেড়াতে যায় তারা। পূর্ণিমা ও নিম্নচাপের কারণে সমুদ্র এমনিতেই উত্তাল। মৎস্যজীবীদেরও সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
পর্যটদের নিরাপত্তার জন্য দিঘা-তাজপুর ও শঙ্করপুরে নুলিয়া ও পুলিশের নজরদারি থাকলেও মেরিন ড্রাইভে সেভাবে ছিল না বলে অভিযোগ। এ দিন দুপুরে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে যাওয়ার সময়ে গাড়ি থামিয়ে দুই বোন সেলফি তুলতে সমুদ্র-বাঁধের ভিতরের অংশে চলে যায়। বড় পাথরের উপরে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলতে শুরু করে তারা। হঠাৎ-ই ঢেউয়ের ধাক্কায় দু’জনে ছিটকে পড়ে।
মন্দারমণি কোস্টাল থানার পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রিয়ন্তির মৃত্যু হয়। পাথরের ধাক্কায় জখম মৃতার ছোট বোন। তার হাতে ও পায়ে আঘাত লেগেছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও কথা বলেননি পরিবারের লোকজন। নিষেধাজ্ঞা না শুনে মন্দারমণি বা শঙ্করপুরে সমুদ্রে নেমে তলিয়ে মৃত্যুর ঘটনা নতুন নয়। পাঁচ দিন আগে মন্দারমণিতে সমুদ্রে স্নানে নেমে তলিয়ে মৃত্যু হয়েছিল ৩ বন্ধুর। দুর্গাপুর থেকে বেড়াতে এসেছিলেন তাঁরা।
