খাস কলকাতায় বাবার সামনেই মাকে খুন নাবালিকার, সঙ্গী নাবালক প্রেমিক! A minor girl reported murders his mother with the help of his boyfried in Kolkata


পিয়ালী চক্রবর্তী: সম্পর্ক কেন মানছেন না? বাবার সামনেই প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে মা-কে ‘খুন’ নাবালিকার। এরপর স্বাভাবিক মৃত্যুর সার্টিফিকেট জোগাড় করে দেহ সত্‍কারও করে ফেলল তারা, সঙ্গে মুখ বন্ধ রাখার জন্য প্রাণনাশের হুমকি বাবা-কে! হাড়হিম কাণ্ড খাস কলকাতায়।

আরও পড়ুন:  Calcutta High Court:পুলিসের অত্যাচারেই বন্দির মৃত্যু? ৮ বছর পর তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের!

পুলিস সূত্রে খবর, ওই নাবালিকায় বয়স মোটে ১৪ বছর। ঠাকুরপুকুরের পল্লিমঙ্গল এলাকায় বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকত সে। ফেসবুকে এক কিশোরের সঙ্গে আলাপ হয় ওই নাবালিকার। সে-ও নাবালিক। বয়স, ১৫ বছর। দু’জনের সম্পর্ক বছর তিনেকের। কিন্তু এই সম্পর্কের পথে অন্তরায় হয়ে ওঠেছিলেন ওই নাবালিকার বাবা ও মা। তবে মায়ের আপত্তিই ছিল বেশি। সেকারণেই ওই মহিলাকে খুনের পরিকল্পনা করে প্রেমিক যুগল। 

তখন ঘুমিয়ে ছিলেন বাবা-মা। গত ৬ জুন রাতে প্রেমিককে বাড়িতে ডাকে ওই নাবালিকা। এরপর তাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় গলা টিপে খুন করে মা-কে খুন করে সে। এদিকে ততক্ষণে জেগে গিয়েছেন বাবা। স্রেফ খাট থেকে ফেলা দেওয়াই নয়, পাশের ঘরে নিয়ে দিয়ে ওই বৃদ্ধকে, তাঁরই নাবালিকা মেয়ের প্রেমিক হুমকি দেয়, এই ঘটনার কথা কাউকে বললে তাঁকে খুন করা হবে! সকালে স্থানীয় এক চিকিত্‍সকের সঙ্গে যোগাযোগ করে স্বাভাবিক মৃত্যুর সার্টিফিকেটও জোগাড় করে ফেলে অভিযুক্তরা। সেই সার্টিফিকেটে দেখিয়ে দেহ সত্‍কারও করে দেওয়া হয়।

পাড়া-প্রতিবেশীরাও কিছুই টের পাননি। বরং তাঁরা জানতেন, স্বাভাবিকভাবেই মৃত্য়ু হয়েছে ওই মহিলার। এভাবেই কেটে যায় প্রায় ২ মাস। শেষে পর্যন্ত গতকাল, রবিবার এক প্রতিবেশীকে ঘটনাটি জানান মৃতার স্বামী। নাবালক প্রেমিক যুগল ও যে চিকিত্‍সক স্বাভাবিক মৃত্যুর সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন, তাঁকেও আটক করেছে পুলিস। 

আরও পড়ুন:  Zee 24 Ghanta Impact: ‘এসএসকেএমে’ই চিকিত্‍সা হবে HIV আক্রান্ত যুবকের’, জানালেন সুপার!

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *