অখিল এদিন বলেন, ‘আমি কখনও আধিকারিকের কাছে ক্ষমা চাই না। আমার রাজনৈতিক জীবনে কোনও আধিকারিকের কাছে আমি ক্ষমা চাইনি। তাঁর কাছে ক্ষমা চাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। একজন আধিকারিকের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।’
তাজপুরে অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ নিয়ে বচসা বাধে অখিল গিরির সঙ্গে বন দফতরের মহিলা আধিকারিকের। একটি ভিডিয়োতে তাঁকে ওই মহিলা সরকারি কর্মীর উদ্দেশে নানা কটু কথা এবং হুঁশিয়ারি পর্যন্ত দিতে দেখা যায়। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরেই তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেওয়া হয়, অখিল গিরির এহেন আচরণ কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। দলের তরফে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল আগেই।
সম্ভাবনা সত্যি করে সোমবার মন্ত্রী অখিল গিরিকে পদত্যাগ করার জন্য নির্দেশ দিয়ে দেওয়া হয়। অখিল গিরি সোমবারই মেল্ মারফত পদত্যাগ পত্র মুখ্যমন্ত্রীকে পাঠিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন। সোমবার বিধানসভায় পদত্যাগ পত্রের হার্ড কপি জমা দেবেন বলেও জানিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র এদিন জানিয়েছেন, ওই মহিলা অফিসারের সঙ্গে এরকম ব্যবহার করার বিষয়টি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। বিষয়টি নিয়ে দল যে তাঁর পাশে থাকছে না, সেটা আরও স্পষ্ট হয়ে যায় এদিন।
