Ganga River Erosion,বৃষ্টির পর পিছনে তাড়া করছে ভাঙনের আতঙ্ক – ganga river erosion started in kalna areas after rain


এই সময়, কালনা: বৃষ্টির পরেই কালনা শহর সমেত মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ভাগীরথীর ভাঙন। ক্রমাগত পাড় ভাঙার দৃশ্য তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। ভাঙনের জেরে কোথাও তলিয়ে গিয়েছে রাস্তা, কোথাও আবার সরকারি প্রকল্পে তৈরি ঘর জলে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন মহকুমাশাসক শুভম আগরওয়াল।ভাগীরথী লাগোয়া কালনা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়ায় ফের শুরু হয়েছে ভাঙন। কয়েকটি বাড়ির উঠোনে ফাটলও দেখা দিয়েছে। ভাঙন শুরু হওয়ায় আতঙ্কে এলাকার মানুষ। শনিবার ভাঙন কবলিত ওই এলাকা পরিদর্শন করেন মহকুমাশাসক। কিছুটা এলাকা তিনি স্টিমারে পরিদর্শন করেন।

মহকুমাশাসক বলেন, ‘শনিবার কালনা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ওখানে এক সপ্তাহ হলো কাজ শুরু করেছে সেচ দপ্তর। বৃষ্টির জন্য কাজ বন্ধ থাকলেও ফের শুরু হবে। অন্য এলাকার ভাঙনের কথাও জানানো হয়েছে সেচ দপ্তরকে।’

পালপাড়ার বাসিন্দা কুটি পাল শুরু করেছেন সরকারি আবাস যোজনার ঘর। কিন্তু সেই ঘরে আদৌ ঢুকতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দিহান তিনি। বলেন, ‘ঘর হচ্ছে বলে খুব আনন্দ হয়েছিল। কিন্তু শনিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে ভাঙন। মনে হচ্ছে ভাঙনে ঘর তলিয়ে যাবে।’ সরকারি আবাস যোজনায় ঘর তৈরি হচ্ছে মুক্তি পালেরও। তাঁর মনেও আশঙ্কা।

বলেন, ‘৪ কাঠা উঠোন ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে। ঘর থাকবে কিনা সন্দেহ।’ তাঁদের মতো আরও কয়েকজনের সরকারি প্রকল্পে এখানে ঘর তৈরি হচ্ছে। প্রায় সকলেরই এক কথা। ভাঙনের মুখে দাঁড়িয়ে তাঁরা। এদিকে নসরতপুরের ডাঙাপাড়াতেও শুরু হয়েছে ভাঙন। এলাকার বাসিন্দা এফাইতুল্লা শেখ বলেন, ‘ইতিমধ্যে অনেকটা চাষজমি ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে। গ্রামের কবরস্থান ও আরও বহু জমি তলিয়ে যাওয়ার মুখে। ভাঙন রোধে বালির বস্তা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, ভাঙনে সব তলিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আমরা স্থায়ী সমাধানের আর্জি জানাচ্ছি।’

ভাঙন শুরু হয়েছে পূর্বস্থলী ১-এর কিশোরীগঞ্জেও। শনিবার রাত থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে গ্রামে। ভাঙনে তলিয়ে গিয়েছে ঢালাই রাস্তার কিছুটা অংশ। গ্রামবাসী সন্তু মণ্ডল বলেন, ‘ভাঙন রোধে কোনও দিন কাজ হয়নি গ্রামে। জল বাড়লেই ভাঙন শুরু হয়। ভাগীরথী আর কিছুটা এগিয়ে আসলেই ভাঙনের কবলে পড়বে গ্রাম।’ আর এক গ্রামবাসী বলাই হালদার বলেন, ‘ভাঙনের কাছেই প্রাথমিক স্কুল। এ বার তলিয়ে যাবে চাষজমি।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *