এই সময়, শিলিগুড়ি: বাগডোগরা বিমানবন্দরে নিয়মিত আন্তর্জাতিক উড়ান ওঠানামার অনুমতি দিল কেন্দ্রীয় সরকার। এতদিন প্রতিবেশী দেশ ভুটানের পারো থেকে ব্যাঙ্ককগামী উড়ানের বাগডোগরায় নামার অনুমতি থাকলেও অন্য কোনও দেশের উড়ান ওঠানামার অনুমতি ছিল না।মাঝে কিছুদিন একটি বেসরকারি সংস্থা বাগডোগরা-কাঠমান্ডু রুটে উড়ান চালানোর ছাড়পত্র পেলেও, তা ছিল নেহাতই পরীক্ষামূলক। বাগডোগরার স্টেটাস ছিল ‘কাস্টমস এয়ারপোর্ট’। মঙ্গলবার দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্ত-এর দাবি, বাগডোগরাকে কেন্দ্রীয় সরকার ‘পয়েন্ট অফ কল’ মর্যাদা দিয়েছে।
যার অর্থ, যে কোনও দেশ থেকে বাগডোগরায় সরাসরি উড়ান চালানো যাবে। ফলে আরও বেশি বিদেশি পর্যটক বাগডোগরা হয়ে উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে বেড়াতে আসতে পারবেন। পোক্ত হবে সেখানকার অর্থনীতিও। উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যবসায়ীদেরও দীর্ঘদিন এই দাবি ছিল। এতে পর্যটনের আরও বিকাশ ঘটবে বলে জানিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশন অফ কনজারভেশন অ্যান্ড ট্যুরিজ়মের কর্ণধার রাজ বসু।
যার অর্থ, যে কোনও দেশ থেকে বাগডোগরায় সরাসরি উড়ান চালানো যাবে। ফলে আরও বেশি বিদেশি পর্যটক বাগডোগরা হয়ে উত্তরবঙ্গ এবং সিকিমে বেড়াতে আসতে পারবেন। পোক্ত হবে সেখানকার অর্থনীতিও। উত্তরবঙ্গের পর্যটন ব্যবসায়ীদেরও দীর্ঘদিন এই দাবি ছিল। এতে পর্যটনের আরও বিকাশ ঘটবে বলে জানিয়েছেন অ্যাসোসিয়েশন অফ কনজারভেশন অ্যান্ড ট্যুরিজ়মের কর্ণধার রাজ বসু।
আন্তর্জাতিক তকমা দেওয়ার সঙ্গে বাগডোগরার জন্য আলাদা করে অর্থও বরাদ্দ করেছে বিমান মন্ত্রক। কলকাতা, দিল্লির মতো বাগডোগরাতেও আলাদা করে ডোমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল লাউঞ্জ নির্মাণের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকার এই কাজে বাগডোগরাকে প্রায় ১০৫ একর জমি দিয়েছে।
ভারতের সঙ্গে বিশ্বের ১১৬টি দেশের দ্বিপাক্ষিক ‘এয়ার সার্ভিস এগ্রিমেন্ট’ বা এএসএ রয়েছে। ওই সমস্ত দেশের উড়ান, ভারতের ‘পয়েন্ট অফ কল’ মর্যাদা পাওয়া অন্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতোই বাগডোগরাতেও ওঠানামা করতে পারবে। গত মে মাসে ভারতে দেশীয় যাত্রীর সংখ্যা ১৩.৮ মিলিয়ন ছাড়িয়েছে। বিমানবন্দরের সংখ্যা ২০১৪ সালের তুলনায় ৭৪ থেকে বেড়ে ১৫৭ হয়েছে।