এই ইস্যুতে অভিষেক যে দলের সঙ্গে রাস্তায় নামছেন না, সে কথা সম্প্রতি দলের নেতা, অভিষেক-ঘনিষ্ঠ কুণাল ঘোষের কথাতেও উঠে এসেছে। উল্টে, সাধারণ মানুষের সুরে সুর মিলিয়ে তাঁকে একাধিক বার ওই ঘটনার সমালোচনা করতে শোনা গিয়েছে। গত ১০ অগস্ট আমতলায় পর্যালোচনা বৈঠক সেরে অভিষেক আরজি কর কাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ এবং ধিক্কার জানিয়ে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তা দিয়েছিলেন।
১৪ অগস্ট রাতে আরজি কর হাসপাতালে দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবের পরেও এক্স হ্যান্ডলে কড়া সমালোচনা করেন অভিষেক। ওই ঘটনায় দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন। তৃণমূল সূত্রের একাংশের দাবি, আরজি কর কাণ্ডে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও নাকি দলের অন্দরে চূড়ান্ত অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিষেক। অভিষেক-ঘনিষ্ঠ ডায়মন্ড হারবারের এক তৃণমূল নেতা বলেন, ‘রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের অন্দরের রাজনীতি এবং পুলিশ প্রশাসনের সমন্বয় না থাকার ফলে একের পর এক ভুল পদক্ষেপের জন্য সরকার ও দল নিয়ে ভুল বার্তা গিয়েছে মানুষের কাছে। ফলে সাধারণ মানুষের আন্দোলন আরও তীব্রতর হয়েছে। রাতে আরজি কর হাসপাতালে দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করে দূরে সরে রয়েছেন অভিষেক।’
এই পরিস্থিতিতে ডায়মন্ড হারবারের স্থানীয় নেতা কর্মীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ঘিরে গুঞ্জন বেড়েছে। ডায়মন্ড হারবারের পাশের লোকসভা কেন্দ্র মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদারের প্রোফাইলেও জ্বলজ্বল করছে সেই পোস্ট।
মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূলের যুবনেতা ইমরান হাসান বলেন, ‘আমাদের নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর নেতার নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে লোকসভা নির্বাচনেও গোটা রাজ্যজুড়ে সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে লড়াই করেছি। গোটা রাজ্যজুড়ে সিপিএম-বিজেপি নোংরামি করছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় মাঠে নামলে এই বিরোধীদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাই আমরা এই স্লোগানকে সামনে রেখে এগিয়ে চলছি।’
