বৃহস্পতিবার থেকেই আরজি কর হাসপাতালের নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্ব নিচ্ছে CISF। বুধবার দিনভর আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং কলকাতা পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন CISF এর শীর্ষ আধিকারিকরা। এরপর রাতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হল আগামীকাল থেকে আরজি করে মোতায়েন হচ্ছে CISF।সূত্রের খবর, মোট ২ কোম্পানি CISF থাকবে আরজি করের নিরাপত্তার দায়িত্বে। কলকাতা পুলিশের তরফে CISF বাহিনীর থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে মঙ্গলবার আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা প্রদান এবং তাঁদের কাজে ফেরত যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে CISF বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেয়। বুধবার সকালেই সিআইএসএফের ডিআইজি কে প্রতাপ সিংহ আরজি কর হাসপাতালে আসেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এরপর সেখান থেকে সরাসরি লালবাজারে যান সিআইএসএফ কর্তারা। কলকাতা পুলিশের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন সিআইএসএফের ডিআইজি সহ অন্যান্য শীর্ষ কর্তারা।
CV Ananda Bose: আরজি কর কাণ্ডে সুপ্রিম নির্দেশের পর বিশেষ বার্তা রাজ্যপালের, মৃতার বাবা-মাকে ফোন
প্রসঙ্গত, আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক খুনের ঘটনার পর গত ১৪ অগস্ট মধ্যরাতে আচমকা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই চিকিৎসক, স্বাস্থ্য কর্মীদের নিরপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ভাঙচুরের ঘটনার পর থেকেই অনেক রেসিডেন্ট চিকিৎসক কর্মস্থল ছেড়ে চলে গিয়েছেন বলে খবর। আরজি কর হাসপাতালের হস্টেলগুলিতে বর্তমানে ৩০-৪০ জন মহিলা চিকিৎসক এবং ৬০-৭০ জন পুরুষ চিকিৎসক রয়েছেন বলে খবর। সর্বোপরি হাসপতালের চিকিৎসা পরিষেবা স্বাভাবিক করতে ইন্টার্ন, রেসিডেন্ট ডাক্তার ও সিনিয়র চিকিৎসকদের সুরক্ষা উদ্বিগ্ন হয়ে সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে CISF বাহিনী মোতায়েন করার নির্দেশ দেয়।
কী ভাবে তৈরি হবে নিরাপত্তার বেড়াজাল? সুপ্রিম নির্দেশে আরজি করে সরেজমিন সিআইএসএফ-এর ডিআইজির
হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন তুলেছেন আন্দোলনরত চিকিৎসকরা। যদিও, কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেননি চিকিৎসকরা। বুধবারই একাধিক দাবি নিয়ে স্বাস্থ্যভবনে গিয়েছিলেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর হাসপাতালে খুনের ঘটনায় তদন্তের স্টেস্টাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা সিবিআইয়ের। এরপরেই তাঁরা কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানানো হয়েছে।