এর আগেও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে ‘পশ্চিমবঙ্গ ছাত্র সমাজ’ নামে একটি সংগঠনের নবান্ন অভিযান কর্মসূচি নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছিল। তৃণমূলের দাবি ছিল, এই অভিযানের পেছনে প্রচ্ছন্ন মদত রয়েছে বিজেপির। নবান্ন অভিযানের নামে অশান্তি সৃষ্টির জন্যেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়। কাঞ্চন এদিন বলেন, ‘আমার প্রশ্ন সিজিওর দিকে কেন অভিযান হচ্ছে না? সিবিআই এত দেরি কেন করছে? সেই প্রশ্ন কেন করা হচ্ছে না? আমরা চাইছি এমন একটা আইন যে ধর্ষণের শাস্তি হল ফাঁসি।’
পাশাপাশি, চিকিৎসকদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। কাঞ্চন বলেন, ‘চিকিৎসক যাঁরা আন্দোলন করছেন, তাঁদের বলছি আপনারা আন্দোলন করছেন কিন্তু সাধারণ রোগীরা কী অপরাধ করেছে? ডাক্তার মানে ভগবান। এমন না হয় এরপর ডাক্তারকে ভগবান বলতে দশবার ভাবতে হবে।’ আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে অনেক দুর্গাপুজো কমিটি সরকারি অনুদান ফিরিয়ে দিচ্ছেন। কাঞ্চনের কথায়, ‘আমাদের গণতান্ত্রিক দেশ প্রত্যেকেরই নিজস্ব মতামত আছে। কিন্তু অনেকেই শুনছি দুর্গাপুজোর অনুদান নেবেন না ভালো কথা। যারা কর্মবিরতি করছেন বা শাসক দলের বিরুদ্ধে বলছেন তাঁরা সরকারি বেতনটা নিচ্ছেন তো? নাকি নিচ্ছেন না। পুজোর বোনাসটা নেবেন তো?’
