রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ নির্যাতিতার বাবা, মা ও পরিবারের লোক আরজি করের দিকে রওনা দেন। এ দিন মানুষের ভিড়ে অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়া বিটি রোড ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ স্লোগানে মুখরিত হয়। কখনও মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে, কখনও মুষ্টিবদ্ধ হাত উপরে তুলে গলা ফাটান ক্ষুব্ধ মানুষজন। সোদপুর-মধ্যমগ্রাম রোডও স্তব্ধ হয়ে যায়।
বেলঘরিয়া, বরাহনগর, খড়দহ, নিমতা, ব্যারাকপুর, ইছাপুর, শ্যামনগর, নৈহাটি, হালিশহর, কাঁচরাপাড়ার মানুষও রাস্তায় নামেন। মধ্যমগ্রাম থেকে বারাসত, হাবরা থেকে বনগাঁ সর্বত্রই রাতের শহরে পথে নেমেছেন মহিলারা। কোথাও রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন হয়েছে। কোথাও গানে, কবিতায়, নাটকের মাধ্যমে উই ওয়ান্ট জাস্টিসের দাবিতে সোচ্চার হতে দেখা গিয়েছে লোকজনকে।
হাবরা ১ নম্বর রেলগেট থেকে যশোহর রোডে বিবেকানন্দের মূর্তির সামনে পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তায় মানববন্ধন করেন মহিলারা। বসিরহাটের ইটিন্ডা রোডের উপর বোটঘাট এলাকায় মহকুমাশাসক দপ্তরের সামনে মেয়েদের জমায়েত হয়। টাকি রাজবাড়ি থেকে একটি মিছিল বেরোয়। টাকি থুবার মোড়ে পথনাটিকা করে আরজি কর-কাণ্ডের বিচার চান মানুষ।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালের সামনে বারুইপুর-ক্যানিং রোডে মোমবাতি জ্বেলে মানববন্ধনের কর্মসূচিতে অংশ নেন এলাকাবাসী। ক্যানিংয়ে এই কর্মসূচিকে বানচাল করার দলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন ক্যানিং পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস।
যদিও এ দিন পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। বারুইপুরের চম্পাহাটি এলাকায় পথনাটিকার মাধ্যমে প্রতিবাদ জানানো হয়। জয়নগরের দক্ষিণ বারাসত এলাকায় কুলপি রোডে মোমবাতি জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানান এলাকার মহিলারা।
