ডাক্তারদের এই দাবির পর ফের নবান্ন থেকে একটি মেল পাঠানো হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যসচিব মেল পাঠিয়ে ডাক্তারদের জানান, সন্ধ্যে ৬টায় নবান্নে বৈঠকে বসতে আগ্রহী সরকার। তবে ৩০ নয়, ১২ থেকে ১৫ জনের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সরকার কথা বলতে চায়।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার দুপুরে স্বাস্থ্য ভবন অভিযান করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। তাঁদের স্বাস্থ্য ভবন থেকে কিছুটা দূরে আটকানো হলে সেখানে রাস্তাতেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁরা। সেই অবস্থান কর্মসূচির প্রায় ২৪ ঘণ্টা পার হয়ে গিয়েছে। জুনিয়র ডাক্তারদের দাবিগুলির মধ্যে প্রথম শর্ত, নির্যাতিতা মৃত চিকিৎসক পড়ুয়ার ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার দ্রুত বিচার করতে হবে। দোষীদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আর জি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে সাসপেন্ড করে তদন্ত চালাতে হবে। তথ্য লোপাটের জন্য যাঁরা দায়ী তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করতে হবে। এর সঙ্গে স্বাস্থ্যসচিব, ডিএমই এবং হেল্থ সার্ভিসেসের ডিরেক্টরের ইস্তফা দাবি করেছেন তাঁরা। ইস্তফা দাবি করা হয়েছে কলকাতা পুলিশ কমিশনারেরও।
