এই সময়, কালনা: হাসপাতালে এজেন্সির অধীনে থাকা নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের বায়োমেট্রিক হাজিরা বাধ্যতামূলক করার নির্দেশিকা পাঠানো হলো রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলোয়। বুধবার ওয়েস্টবেঙ্গল মেডিক্যাল সার্ভিসেস কর্পোরেশন লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর চৈতালি চক্রবর্তী কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত এজেন্সিকে দ্রুত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার কথা জানিয়েছেন।এজেন্সিগুলোকে পাঠানো গাইডলাইনে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীকে ডিউটিরত অবস্থায় নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরতে হবে। সঙ্গে রাখতে হবে আই কার্ড। বাধ্যতামূলক করা হয়েছে বায়োমেট্রিক অ্যাটেনড্যান্স। সেই অ্যাটেনড্যান্স রিপোর্ট প্রতি মাসে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর কাছে জমা করতে হবে।
রোগী পিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক পরিজন শুধুমাত্র ভিজিটিং আওয়ার্সে যেতে পারবেন ওয়ার্ডের ভিতরে। ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে ঢুকতে হবে তাঁদের। নিরাপত্তা কর্মীদের অন্য কাজে ব্যবহার করা যাবে না। ব্যবহার করতে হবে ওয়াকিটকি। প্রতিটি ফ্লোরে থাকতে হবে অন্তত একটি ওয়াকিটকি। সমানুপাতে রাখতে হবে পুরুষ ও মহিলা নিরাপত্তাকর্মী। নিয়োগ করতে হবে আরও মহিলা নিরাপত্তা কর্মী। রাতে মহিলা নিরাপত্তাকর্মীরা একসঙ্গে ডিউটি করবেন।
রোগী পিছু নির্দিষ্ট সংখ্যক পরিজন শুধুমাত্র ভিজিটিং আওয়ার্সে যেতে পারবেন ওয়ার্ডের ভিতরে। ভিজিটিং কার্ড দেখিয়ে ঢুকতে হবে তাঁদের। নিরাপত্তা কর্মীদের অন্য কাজে ব্যবহার করা যাবে না। ব্যবহার করতে হবে ওয়াকিটকি। প্রতিটি ফ্লোরে থাকতে হবে অন্তত একটি ওয়াকিটকি। সমানুপাতে রাখতে হবে পুরুষ ও মহিলা নিরাপত্তাকর্মী। নিয়োগ করতে হবে আরও মহিলা নিরাপত্তা কর্মী। রাতে মহিলা নিরাপত্তাকর্মীরা একসঙ্গে ডিউটি করবেন।
কর্মীদের ডিউটি রোস্টার শেয়ার করতে হবে হাসপাতাল সুপার অথবা সহকারী সুপারদের সঙ্গে। কালনা মহকুমা হাসপাতালের সুপার চন্দ্রশেখর মাইতি বলেন, ‘সব কিছু ঠিকমতো হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। বৃহস্পতিবার জেলাশাসকও একটি ভিডিয়ো কনফারেন্স করেন।
তাতে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কালনা মহকুমা হাসপাতাল, কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালের সুপার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিএমওএইচ, পুলিশ সুপার, এগজ়িকিউটিভ ইঞ্জিনিয়াররা। বৈঠকে নিরাপত্তা, নতুন টয়লেট, থাকার ঘর, সিসিটিভি নিয়ে আলোচনা হয়।’