Justice For RG Kar,সন্তানের মৃত্যুর জাস্টিস চেয়ে পথ দেখছেন ওঁরা – many parents are childless join against rg kar protest


এই সময়: সন্তানকে নিয়ে ওঁদের চোখেও স্বপ্ন ছিল। ওঁরাও বিচার চান। পুলিশি গাফিলতির বিচার! আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় পুলিশি গাফিলতির অভিযোগ ওঠায় প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন রাজ্যবাসী। নিন্দার ঝড় উঠেছে দেশে-বিদেশেও। তাঁদের সঙ্গে গলা মিলিয়ে সন্তানহারা আরও অনেকের বাবা-মা পুলিশ-প্রশাসনের গাফিলতির বিচার চাইছেন।সেই আবহে গত বছরে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যায়ের হস্টেলে র‍্যাগিংয়ের শিকার হয়ে মৃত্যু হওয়ায় ছাত্রের বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বললেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল। লালবাজার সূত্রের খবর, ওই ঘটনায় কী ভাবে তৎপরতার সঙ্গে তদন্ত করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া চার্জশিট পেশ করা হয়েছে, তা এ দিন তাঁদের জানানো হয়েছে। যদিও এ দিন কেন ওই ছাত্রের বাবা-মাকে ডাকা হয়েছিল, সে বিষয়ে পুলিশের কোনও শীর্ষ কর্তা মন্তব্য করেননি।

এমনকী, ওই ছাত্রের পরিবারও কিছু বলতে চায়নি। পুলিশ সূত্রের খবর, ওই ঘটনায় জেলবন্দি ১২ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। পুলিশকর্তারা তাঁদের আশ্বস্ত করেন, খুব দ্রুত অভিযুক্তদের শাস্তিও নিশ্চিত করা হবে। পুলিশের উপরে আস্থা রাখার কথাও বলা হয়। এ দিন ছাত্রের বাবা-মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতে তদন্তে কোনও গাফিলতি হয়নি বলেই বারবার দাবি করেছেন পুলিশকর্তারা।

পুলিশের বক্তব্য শোনার পর লালবাজারের উপরে আস্থাও দেখিয়েছেন মৃত ছাত্রের পরিবার। তবে দু’মাস আগে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হওয়া সল্টলেকের সিএ স্কুলের একাদশ শ্রেণির পড়ুয়া অঙ্গীকার দাশগুপ্তের অভিভাবকেরা বিচারের দাবি থেকে সরছেন না। হলদিরাম বাস স্টপে নামার সময়ে দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ওই কিশোরের।

অঙ্গীকারের মা কস্তুরী এবং বাবা অঞ্জন দাশগুপ্তের অভিযোগ, দুই বাসের রেষারেষি চলছিল। বাস স্টপের কাছে জোরে ব্রেক কষায় চলন্ত এল-২৩৪ থেকে পড়ে যায় অঙ্গীকার। কিন্তু কাছেই দু’টি বেসরকারি হাসপাতাল থাকলেও, তাকে নিয়ে যাওয়া হয় প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে অন্য একটি হাসপাতালে!

অঞ্জনের প্রশ্ন, ‘কেন সময় নষ্ট করা হলো? ওকে এক সিভিক ভলান্টিয়ার হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু পরে জানতে পারি, তিনি সিভিকও নন।’ ছেলের মৃত্যুতে অনেক ধোঁয়াশা রয়েছে বলে মনে করছেন অঙ্গীকারের বাবা-মা। অঞ্জনের কথায়, ‘আমরা ধৈর্য ধরছি। কিন্তু সঠিক তদন্ত না হলে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হব।’

ডাক্তারদের বিচার কে করবে? আকুতি সন্তানহারা মায়ের

পেশায় শিক্ষিকা কস্তুরী বলেন, ‘ছেলের স্কুলের পরিচয়পত্রে আমাদের ফোন নম্বর ছিল। কেন আমাদের সঙ্গে সঙ্গে জানানো হলো না? কেন বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছেলেকে এত দূরে বারাসত মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলো?’ অঙ্গীকারের বাবা অঞ্জন একটি কলেজে অধ্যপনা করেন। তাঁর কথায়, ‘ছেলের মৃত্যুর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে আমাকে মারধর করা হয়েছে। প্রয়োজনে আমরা হাইকোর্টে যাব।’

পুলিশের দাবি, কোনও গাফিলত হয়নি। ওই বেসরকারি হাসপাতাল মৃত ঘোষণা করায় তাকে বারাসত মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *