কটেজের ম্যানেজার সুরজিৎ দাস জানান, ওই কটেজে কোনও পর্যটক ছিলেন না। তিনি নিজে এবং একজন কর্মচারী ছিলেন। মূলত, কটেজের কিচেন, স্টোর রুম এবং ডাইনিং রুমে আগুন লাগে। এই চারটি ঘর পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানান তিনি। পুরো কটেজের সমস্ত মালপত্র স্টোর রুমে ছিল। সে সমস্তই পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। মূলত দাহ্য পদার্থ থাকায় ওই অংশটি পুরোটাই পুড়ে যায়। পুজোর মুখে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে কটেজ মালিক।
ঘটনার পর খবর দেওয়া হয় দমকলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ফ্রেজারগঞ্জ থানার পুলিশ। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। লজের রান্নাঘর থেকেই কোনওভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র এই মৌসুনি দ্বীপ। কলকাতার কাছাকাছি যে সব পর্যটনকেন্দ্রগুলি রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম এটি। গত কয়েক বছরে পর্যটকদের আনাগোনা বেড়েছে এই পর্যটন কেন্দ্রে। মৌসুনি দ্বীপে যেতে পারাপার করতে হয় ছেনাই নদী। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় পর্যটকদের মধ্যে।
