ওই হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে তদন্তে নেমেছে সিবিআই। এই পরিস্থিতিতে সুদীপ্ত কলকাতা মেডিক্যালের দুর্নীতিতে জড়িত বলে নতুন করে অভিযোগ জমা পড়েছে রাজ্য ভিজিল্যান্স কমিশনে। অভিযোগকারী শর্মিষ্ঠা মণ্ডলের তরফে ভিজিল্যান্সের পাশাপাশি ওই অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সিবিআই এবং ইডি-র কাছেও।
শর্মিষ্ঠার দাবি, রিক্রুটমেন্ট থেকে শুরু করে পারচেজ় কিংবা টেন্ডার, মেডিক্যালের নানা ক্ষেত্রেই দুর্নীতির চক্র গড়ে তুলেছিলেন সুদীপ্ত। এমনকী, সেন্ট্রাল ল্যাব ও কার্ডিয়োলজি বিভাগের মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট এবং নার্স নিয়োগেও প্রভাব খাটাতেন বিধায়ক। যদিও এবিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরজি করের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত নিয়ে এদিন সামাজিক মাধ্যমে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, সঞ্জয় একাই না একাধিক? সিবিআই কোর্টে বলেছে গণধর্ষণ নয়। অথচ যে শারীরিক অত্যাচার, তাতে একাধিক শক্তির প্রয়োগের অনুমান।
কুণালের প্রশ্ন, ‘ধর্ষণ করে খুন? নাকি, খুন করে ধর্ষণ? না, একাধিক ব্যক্তির আক্রমণে মারামারিতে মৃত্যু? তারপর নজর ঘোরাতে সঞ্জয়ের মত কোনও নরপশুর প্রবেশ ও কুকর্ম? সঞ্জয়কে খবর দিয়ে আনা? সেক্ষেত্রে, বাকিরা কারা? তারা এখন কোথায়? তর্ক, মারামারির কারণ কী? তদন্তে সবটা আসুক।’ কোনও জল্পনা নয়, নির্দিষ্টভাবে সিবিআই সমাধান জানাক বলেও দাবি তুলেছেন কুণাল।
গত ১৪ অগস্ট রাতে আরজি কর হাসপাতালে ভাঙচুর চালানোর ঘটনায় ধৃত ৪৪ জনকে এদিন তোলা হয় শিয়ালদহ আদালতে। ধৃতদের প্রত্যেককেই ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
