RG Kar Incident,৩ ফোন বাজেয়াপ্ত, দুর্নীতির তদন্তে সুদীপ্তকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ! – ed summoned tmc mla sudipta roy for questioning in corruption probe


এই সময়: তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক তথা চিকিৎসক সুদীপ্ত রায়ের বাড়িতে প্রায় ২০ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। বৃহস্পতি তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হলো। বৃহস্পতিবার ইডি দপ্তরে পৌঁছনোর পর, তাঁর বাজেয়াপ্ত হওয়া তিনটি মোবাইল চালু করে সুদীপ্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর।

আরজি কর হাসপাতালে দুর্নীতির তদন্তে বুধবার সকাল থেকে সিঁথিতে সুদীপ্তর নার্সিংহোম এবং বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেন ইডি আধিকারিকেরা। সেই সঙ্গে বাজেয়াপ্ত করা হয় ৩টি মোবাইলও। অভিযোগ, আরজি কর হাসপাতালের দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সন্দীপ।

এ বিষয়ে অভিযোগকারী চিকিৎসক আকতার আলি রোগী কল্যাণ সমিতির প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুদীপ্তর কাছে অভিযোগ করলেও, কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। সে কারণে সুদীপ্তও দুর্নীতিতে জড়িত বলে অভিযোগ করেন আকতার সহ জুনিয়ার চিকিৎসকদের একাংশে। সুদীপ্তকে আদৌ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত? এ বিষয়ে
আরও তথ্য পেতে তিনটি ফোনের সিডিআর খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।
দুর্নীতি: সুদীপ্তর বিরুদ্ধে ভিজিল্যান্সে নতুন অভিযোগ
এদিন সিজিও কমপ্লেক্সে ঢোকার সময় শ্রীরামপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত রায় বলেন, ‘আমার ৩টি ফোন সিজড করেছে ওরা। বাড়ি থেকে কিছু পাওয়া যায়নি। রোগী সংক্রান্ত কিছু কাগজ পেয়েছেন ওরা। নিয়ম হচ্ছে, ফোন সিজড করলে, ব্যবহারকারীর সামনে তা খুলতে হয়। তাই এসেছি। একটা বড় চক্রান্ত হচ্ছে। আমরা সত্যের পথে আছি। আমাদেরই জয় হবে। প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আকতার আলির অভিযোগের ভিত্তিতে তল্লাশি হয়েছে।’

RG Kar Case: ‘কার নির্দেশে এই কাজ?’ ধৃত টালা থানার ওসিকে জুতো দেখিয়ে বিক্ষোভ

এ বিষয়ে তৃণমূলের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ কুণাল ঘোষ বলেন, ‘তদন্তের বিষয়। সিবিআই-ইডি যাকে পারবে, তাঁকে ডাকতে পারবে। ইডির অধিকার রয়েছে, যাঁকে মনে করবে, তাঁকে ডাকবে। এই বিষয়ে যাঁকে ডাকা হয়েছে, তাঁর আইনজীবী বলতে পারবেন। আমরা কিছু বলছি না।’

সুদীপ্তর ফোনের সূত্রে মেডিক্যাল কলেজের এমএসভিপি, ক্যালকাটা হার্ট রিসার্চ ক্লিনিকের এক চিকিৎসককেও তলব করা হয়েছিল। ইডি আধিকারিকেরা খতিয়ে দেখতে চাইছেন, দুর্নীতির চক্র কী আরজি করে হাসপাতেলই সীমাবদ্ধ নাকি বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজেও ছড়িয়ে রয়েছে? চিকিৎসক তথা বিধায়ক সুদীপ্ত এ রাজ্যের হেল্‌থ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের সদস্যও। ফলে তাঁর সঙ্গে প্রতিটি মেডিক্যাল কলেজেরই পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে। সেই সূত্রে দুর্নীতি হয়েছে কি না, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *