গত কয়েক দিন ধরে পর্যটকদের গাড়ি থেকে শুরু করে সমস্ত গাড়িগুলিকেই লাভা, গোরুবাথান দিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। তবে ধস নামার পর পূর্ত দপ্তর অতি দ্রুত কাজ শুরু করে। এখনও কাজ চলছে। এরই মধ্যে সোমবার থেকে ছোট গাড়ি চলাচল করছে। বড় গাড়ি, বাস, ট্রাক লাভা গোরুবাথান হয়ে চলাচল করছে।
তবে জাতীয় সড়ক খুললেও দু’দিকে লম্বা গাড়ির লাইন হয়ে রয়েছে। এর জেরে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পর্যটকদের। সকাল থেকে লম্বা গাড়ির লাইনের জেরে কয়েক ঘণ্টা দেরিতে গন্তব্যে পৌঁছতে হচ্ছে। নতুন করে ফের ধস নামলে জাতীয় সড়ক বন্ধ হয়ে যেতে পারেও আশঙ্কা রয়েছেন সকলে। এ বছর পাঁচবারেরও বেশি জাতীয় সড়ক ধসের কারণে বন্ধ হয়েছে। শ্বেতীঝোড়া ছাড়াও সেলফিদারা, ২৯ মাইল-সহ নানা এলাকায় বেশ কয়েকবার ধস নেমেছে।
পুজোর মুখে ফের বাংলা-সিকিম ‘লাইফলাইন’ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। স্বাভাবিকভাবেই, চিন্তা বেড়েছে পর্যটকদের মধ্যেও। বর্ষা পেরিয়ে পুজোর সময় ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করেছেন অনেকেই। তবে, ধসের কারণে খরচ ও সময় দুইই বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন পর্যটকরা। গত সোমবার রাতে শ্বেতীঝোরার কাছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের এক দিক ধসে নামার কারণে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।