তবে দুই পিজিটিকে কেন ডাকা হয়েছিল, সে ব্যাপারে সপ্তর্ষি বলেন, ‘ওদের কেন আসতে বলা হয়েছিল, সেই নিয়ে কিছু বলতে পারব না। কারণ, তদন্ত চলছে।’ আরজি করের নির্যাতিতার সহপাঠীরাও সংবাদমাধ্যমের সামনে কিছু বলতে রাজি হননি।
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত করছে সিবিআই। ইতিমধ্যে সিবিআইয়ের তদন্তের একটি স্টেটাস রিপোর্ট জমা পড়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সরকারি কাজে গাফিলতি, তথ্য প্রমাণ লোপাট-সহ একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন আরজি করের একাধিক চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা।
পরপর দু’দিন ধরে সিবিআইয়ের জেরার মুখোমুখি হচ্ছেন আরজি করের চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস। তিনি নির্যাতিতার দেহের ময়নাতদন্ত করেছিলেন। রবিবারই চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাস দাবি করেছিলেন, মৃতার দেহের দ্রুত ময়নাতদন্ত করার জন্য তাঁকে বিভিন্ন ভাবে চাপ দেওয়া হয়েছিল। মৃতার কাকা পরিচয় দিয়ে এক ব্যক্তির তরফে এই চাপ দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। যদিও, মঙ্গলবার তিনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
