Durga Puja: মণ্ডপের কাছেই বিসর্জনে হবে কৃত্রিম জলাশয় – kolkata municipal corporation will construct an artificial water body near the pandal on durga puja


এই সময়: দুর্গাপ্রতিমা বিসর্জনে ত্রিধারা সম্মিলনীতে ইট, সিমেন্ট, প্লাস্টিক দিয়ে অস্থায়ী জলাধার তৈরি করা হয়েছিল। সেই জলাধারে জলে প্রতিমার মাটি গলানোর ব্যবস্থা করেছিলেন উদোক্তারা। লক্ষ্য ছিল, প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহৃত রং যেন নদীর জলে মিশে দূষণ ছড়াতে না পারে।এই ব্যবস্থাকেই এ বার অনেক বড় পুজোর ক্ষেত্রে কার্যকরী করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভার এক কর্তা বলেন, ‘যে পুজো মণ্ডপগুলির সামনে ফাঁকা জায়গা পাওয়া যাবে সেখানে এই ধরনের কৃত্রিম জলাধার বানানো হবে। গঙ্গার জল তুলে এনে পাইপের মাধ্যমে সেই জল দিয়েই ধোয়ানো হবে প্রতিমা।’ এই ব্যবস্থায় মাটি গলে যাবে। এর পর প্রতিমার কাঠামো পুরসভার জঞ্জাল সাফাই বিভাগের কর্মীরা গাড়িতে করে নিয়ে গিয়ে ধাপায় ফেলবেন। পুরকর্তারা আশাবাদী, নতুন পরিকল্পনাকে স্বাগত জানাবেন পুজো-উদোক্তারা।

পুরসভা সূত্রে খবর, ছটের সময়েও এমন কৃত্রিম জলাধার তৈরি করা হয়। তেমনই করা হবে পুজোর বিসর্জনের জন্যে। সেখানেই প্রতিমা বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে প্রতিমার রং এবং মাটি গলানো হবে। সব পুজোর বিসর্জনে এই ব্যবস্থা এখনই করা হয়তো সম্ভব নয়। তবে ধাপে-ধাপে সব পুজোর জন্যেই এমন বিকল্প প্ল্যাটফর্ম তৈরির ভাবনা রয়েছে পুরসভার।

দুর্গাপুজোর ভাসানে ত্রিধারা সম্মিলনীর পুজো-উদ্যোক্তা হিসেবে এই ব্যবস্থা যিনি করেছিলেন, সেই দেবাশিস কুমার কলকাতা পুরসভার বর্ষীয়ান মেয়র পারিষদ। তাঁকেই বিসর্জনে জলাধারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব দিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ইতিমধ্যেই পুরসভার জল-বিভাগের সঙ্গে ফিরহাদ প্রাথমিক বৈঠকও করেছেন। এই পরিকল্পনায় নদীর ঘাটে বিসর্জনের চাপও কমবে।

পুরসভার এই পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়ে পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্ত বলেন, ‘এমনিতেই সারা বছর নদীকে ডাস্টবিন মনে করে অনেকে যা ইচ্ছে তাই ফেলেন। নদীতে প্রতিমা বিসর্জন না হলে দূষণের মাত্রা কমবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *