ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে অভিযুক্তরা পরিযায়ী শ্রমিক হয়ে গুজরাটের আমেদাবাদে কাজ করেছিল কিছুদিন। সেখান থেকে সম্ভবত এই কাজ শিখে আসে। পঞ্চাশ টাকার নোট বাজারে ছাড়লে জাল না আসল তা নিয়ে সন্দেহ কম হবে। সেই ভাবনা থেকে পঞ্চাশ টাকার নোট ছাপানো শুরু করে অভিযুক্তরা। তবে বেশি পরিমাণ নোট ছাপার আগেই ধরা পড়ে যায়।
নোট ছাপানোর কৌশল আয়ত্ত করলেও নোটের নম্বর বদল করার বুদ্ধি আসেনি। একই নম্বরের নোট ছাপিয়ে বাজারে নিয়ে যেতেই পর্দাফাঁস হয় তিন যুবকের। পাণ্ডুয়ার বৈঁচী চৌবেরা বাজারে তিন যুবক কেনাকাট করছিল গত ১লা অক্টোবর। একই নম্বরের নোট দেখে সন্দেহ হয় ব্যবসায়ীদের। খবর যায় পাণ্ডুয়া থানার সাব-ইন্সপেক্টর সুজন মুজুমদারের কাছে। এরপরেই অভিযুক্তদের বাড়িতে হানা দিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরা হয়। ধৃতদের নাম সেখ আরমান, সেখ নাজিমুদ্দিন ও সেখ রোহন। বাড়ি পাণ্ডুয়া থানার বোসপাড়া গ্রামে। ধৃত তিনজনকে তল্লাশি করে তাদের কাছে থেকে মোট ১৫টি ৫০ টাকার জাল নোট ও তিনটি মোবাইল ও একটি নাম্বার প্লেটবিহীন বাইক আটক করে পুলিশ। তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পাণ্ডুয়া থানায় সুনির্দিষ্ট ধারায় একটি মামালা রুজু হয়। মামলার তদন্তে নেমে তিন অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেয়।
