মাহেশবাজারের সব্জি বিক্রেতা উত্তম দাস বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হওয়ায় এ বার পাইকারি বাজারে দাম চড়া। এমনিতেই দুর্গাপুজো থেকে জগদ্ধাত্রী পুজো পর্যন্ত সব্জির দাম একটু বেশি থাকে। তাই খুচরো বাজারে দাম বেড়েছে।’ পাল্লা দিয়ে দাম বেড়েছে ফলেরও। শশা ৬০ টাকা, আপেল ১৫০ টাকা, ন্যাসপাতি ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। নারকেলের দাম গত বারের থেকে দ্বিগুণ হয়েছে। একটি নারকেল বিক্রি হয়েছে ৬০ টাকায়। লক্ষ্মণ সাহা নামে এক ফল বিক্রেতা বলেন, ‘পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ায় ফলের দাম বেড়ে চলেছে। আঙুর, ন্যাসপাতি, আপেল বাইরে থেকে আনতে পরিবহণে খরচ বেড়েছে। সেই বাড়তি খরচ তুলতে ফলের দাম বেশি নিতে হচ্ছে।’ সব্জি, ফলের মতো দাম বেড়েছে গুড়েরও। এক কেজি গুড়ের দাম ৬০ টাকা।
লক্ষ্মীপুজোতে শোলার ফুল ২০ টাকায় তিনটি বিক্রি হচ্ছে। দাম বেড়েছে সাদা তিল, চিঁড়ে, মুড়কিরও। সর্ষের তেল প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাদা তেল ১৩০ টাকা কেজি। দোকানিরা জানিয়েছেন, পুজোর আগে পড়ে সর্ষের তেল ও সাদা তেলের দাম প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। পুজোর বাজারে ডালের দামও চিন্তা বাড়িয়েছে গৃহস্থের। মুগ ডাল ১৬০ টাকা কেজি, মটর ও মুসুর ডাল ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ফুলের বাজারেও দামের ছেঁকা।
হাওড়ায় বেলুড় বাজার থেকে বালি বাজার, লিলুয়া, ডোমজুড় সর্বত্র একটি ফুলকপির দাম ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। পটল ৮০-১২০ টাকা, বেগুন ১২০-১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এই সব বাজারে চন্দ্রমুখী আলু ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আপেল ১৮০-২৫০ টাকা কিলো। মুসাম্বি ২০ টাকা পিস। শাঁকালু বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কিলো দরে। আঙুর ২০০-৪০০ টাকা প্রতি কেজি। পাকা পেঁপে ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে পকেট পুড়ছে বাঙালির।
