Threat Culture,থ্রেট কালচার নিয়ে সব অভিযোগ দেখবে কমিটি, আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর – cm mamata banerjee says committee will look into all complaints about threat culture


এই সময়: আরজি করের তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের পর থেকেই আলোচনায় উঠে এসেছে থ্রেট কালচার। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে জুনিয়র ডাক্তারদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও উঠল সেই প্রসঙ্গ। ভয়ভীতির পরিবেশ চালিয়ে যাওয়া এবং অন্যান্য অভিযোগে আরজি করের ৫৯ জনকে সাসপেন্ড করার যৌক্তিকতা ও এক্তিয়ার নিয়ে এ দিন প্রশ্ন তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা যুক্তি দেন জুনিয়র ডাক্তাররা। শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়, প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি সেই অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘কেস টু কেস’ সবকিছু খতিয়ে দেখা হবে। দোষী হলে কেউ ছাড় পাবে না।এ দিনের বৈঠকে জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে দেবাশিস হালদার বলেন, ‘আমরা প্রতিনিধি হিসেবে এখানে এসেছি। তার মানে আমরা সব কমিটিতে ঢুকে যাব, এ রকম চাইছি না। আমাদের মধ্যে থেকে ভবিষ্যতের অভীক (দে), বিরূপাক্ষ (বিশ্বাস) তৈরি হোক, এটা একদম চাইছি না।’ এ কথা শুনে মমতা বলেন, ‘কারও নাম উল্লেখ করা উচিত নয়। তা হলে আমাকেও অনেকের নাম উল্লেখ করতে হবে।’

এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী বৈঠকে হাজির আরজি করের অধ্যক্ষের কাছে জানতে চান, ‘এক সঙ্গে অনেককে সাসপেন্ড করে দিলেন! সেটা কি প্রশাসনের কাউকে জানিয়েছেন? যাঁদের শাস্তি দেওয়া হলো, তাঁদের কেরিয়ারের কথা ভাবা হলো না?’ আরজি করের অধ্যক্ষ মানস বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সেই শাস্তি তিনি বা তাঁরা দেননি। এটা কলেজ কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত। মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা প্রশ্ন, ‘কলেজ কাউন্সিল কি কোনও স্বশাসিত সংস্থা? কে তা তৈরি করল? এত বড় সিদ্ধান্ত কি তারা নিতে পারে? এটা প্রশাসনকে জানিয়ে করা উচিত ছিল।’

বৈঠকের শেষ দিকে থ্রেট কালচার প্রসঙ্গ তোলেন জুনিয়র ডাক্তারদের প্রতিনিধি অনিকেত মাহাতো। বলেন, ‘আরজি করের ছাত্র হয়ে বলছি, যে ৫৯ জন বা ৫১ জনের কথাই বলুন না কেন ম্যাম, যাদের বহিষ্কার করা হয়েছে, তদন্ত কমিটি তৈরি করেই করা হয়েছে।’ মুখ্যমন্ত্রী পাল্টা বলেন, ‘সেটা তোমরা নিজেরা করতে পারো না! সরকার বলে একটা বস্তু আছে। মানুন, আর না মানুন। সিস্টেম বুঝুন। আপনারা নিজেরা তদন্ত করে নিলেন? যাঁকে পছন্দ হলো না, তাঁকে বের করে দিলেন?’

এই সময়ে অনিকেত বলেন, ‘দে আর নটোরিয়াস ক্রিমিনাল, ম্যাম।’ মমতার প্রশ্ন, ‘তা হলে কী করে পড়ার সুযোগ পেল মেডিক্যাল কলেজে?’ অনিকেত জানান, তাঁরা পরীক্ষা দিয়ে ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পেলেও পরবর্তী কালে প্রশাসকদের একাংশের প্রশ্রয়ে থ্রেট কালচারের মাথা হয়ে ওঠেন। তাঁর অভিযোগ, ‘থ্রেট কালচারে অভিযুক্ত ৫৯ জনের মধ্যে অনেকে ১০০-র মধ্যে ১০ পাওয়ার যোগ্য নয়, তার পরেও তারা গোল্ড মেডেল পেয়েছে।’ মুখ্যমন্ত্রী জানান, মুখ্যসচিবের নেতৃত্বে একটা কমিটি তৈরি করা হবে। তারা প্রতিটি অভিযোগ খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *